ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন
ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি নিয়ে আজকের আর্টিকেলে কথা বলবো। ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষ করার জন্য সঠিক দক্ষতা দরকার। ছাদের টবে ডাবল ফল চাষ করার উপায় জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ুন।
ছাদের টপে ড্রাগন ফল চাষ করার জন্য বেশ কিছু উপকরণ ব্যবহার করতে হয়। তাহলেই গাছ
শক্তিশালী হয় এবং ফল ভালো আসে। তাই কি কি ধরনের উপকরণ ব্যবহার করবেন এবং কিভাবে
এটার পরিচর্যা করবেন সবকিছু আজকের এই আর্টিকেলে কথা বলা হবে।
পেজ সূচিপত্রঃ ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি
- ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি
- ড্রাগন ফল চাষ করার আগে যা জানা জরুরী
- ড্রাগন ফলের চারা নির্বাচন করবেন যেভাবে
- বেশি ড্রাগন ফল পেতে সার দেওয়ার নিয়ম
- রোগ এবং পোকা থেকে গাছ বাঁচানোর উপায়
- ফল ঝরে যাওয়া বন্ধ করতে কার্যকর উপায়
- ফল সংগ্রহের সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতি জানুন
- নতুন চারা তৈরীর সহজ কাটিং পদ্ধতি জানুন
- সফল ছাদ বাগান বানানোর জন্য পরামর্শ
- শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি
আজকের এই আর্টিকেলে ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে কথা বলব।
প্রথমে একটা বড় এবং গভীর টপ যোগাড় করতে হবে, রাতে গাছের শিকড় গুলো ভালো ভাবে
সরাতে পারে। তারপর টবের নিচে ছিদ্র করে ফেলতে হবে যাতে টবের মধ্যে পানি জমে না
থাকে। এরপর সেই টবে মাটি দিতে হবে কিন্তু সাধারণ মাটি দিলে হবে না।
গাছ ভালো করার
জন্য দুই ভাগ দোআস মাটি, এক ভাগ পচা গোবর এবং এক ভাগ বালি ও সামান্য কোকোপিট
মেশান। এরপর টপটি ছাদের রোদে রাখুন, কারণ গাছটি বেড়ে ওঠার জন্য সূর্যের আলোর
প্রয়োজন। এরপর সুস্থ কাটিং চারা বা চারা টবের মধ্যে মাটি সরিয়ে গাছের গোড়া
মাটির মধ্যে ভালোভাবে লাগান।
ড্রাগন গাছ লতালো ধরনের হয়, তাই মাঝখানে শক্ত লাঠি বা সিমেন্টের লাঠি দাঁড়
করিয়ে দিন। এতে গাছটি সোজা উপরের দিকে উঠে যাবে। তারপর লাঠি বা সিমেন্টের
খাম্বার উপরে গোল্ড রিং দিন এতে গাছটি উপরে দিনের মধ্যে গিয়ে ঝুলে ঝুলে বড় হবে।
এছাড়া পানি বেশি দেওয়ার দরকার নেই, যখন মাটি শুকাতে শুরু করবে তখন পানি দিন।
বর্ষার সময় তবে পানি জমে থাকলে সেই পানি ফেলে দিন। কারণ অতিরিক্ত পানি থাকলে এবং
সূর্যের আলো লেগে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে। প্রতি মাসে একবার করে জৈব সাত দিন
গাছের গোড়ায়। ধীরে ধীরে গাছটি বড় হলে গাছের যেইসব অংশগুলো শুকিয়ে যাবে সেগুলো
কেটে ফেলে দিন। তবে গাছের গোড়া না।
শুকিয়ে যাওয়া গাছের ডাল কেটে দিলে, নতুন ডাল অল্প সময়ের মধ্যে হয় এবং দ্রুত
বড় হয়ে যায় এবং এর ফলে গাছটি পরিষ্কার থাকে। ড্রাগন ফল গাছে ফুল আসার সময়
রাতে বড় সাদা ফুল ফোটে, তাই তখন গাছে পর্যাপ্ত পানি এবং সার ও গাছের পুষ্টি
উপাদান দিন। অনেক এলাকায় গাছে হাতে পরাগায়ন করলে ফল বাড়তে পারে।
ফল ছোট সবুজ
থেকে বড় হয়ে গোলাপি লাল রঙে হয়ে পাকা শুরু করে। যখন ফলটি পেকে যাবে তখন আপনি
ধারলো কাইসি দিয়ে ফলটি কেটে ফেলতে পারবেন। এইভাবে ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষ করলে
ফল খুব ভালো পাওয়া যাবে এবং বেশি পরিমাণেও পাওয়া যাবে। তাই এইসব পদ্ধতি মেনে
চাষ করা ভালো হতে পারে।
ড্রাগন ফল চাষ করার আগে যা জানা জরুরী
ড্রাগন ফল চাষ করার আগে ভালোভাবে আপনার এলাকার আবহাওয়া বুঝে নেওয়া জরুরী। এই
গাছ গরম এবং শুকনো পরিবেশে ভালো বড় হয়। এই গাছটা দীর্ঘদিন জলবদ্ধতা সহ্য করতে
পারে না, ফলে গাছটি মরে যাই। ছাদে বেশি বাতাস হলে গাছের ডালগুলো বেঁধে রাখতে হবে
না হলে গাছের ডালগুলো ভেঙে যেতে পারে।
ড্রাগন ফল চাষ করার জন্য যে জাত নেবেন সেটা
আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। কারণ এক এক ধরনের জাতের ফল এক এক ধরনের হয়। ভালো
নার্সারি থেকে রোগমুক্ত সারা নিন। শুরুতে কতটি গাছ লাগাবেন, কোথায় রাখবেন এই
সমস্ত বিষয়ে আগে থেকে ভেবে রাখা ভালো। তাহলে গাছটি সঠিক পরিচর্যা পাবে এবং দ্রুত
বেড়ে উঠবে।
ড্রাগন গাছ ধীরে ধীরে বড় হয়ে ভারী হয়ে যাই, তাই ভবিষ্যতের জায়গা নিয়ে আগে
থেকে ভেবে রাখতে হবে। এছাড়া ছাদে চাষ করার জন্য ছাদের বহন ক্ষমতা ভালো হতে হবে,
কারণ একসাথে অনেক টব ব্যাবহার করলে সমস্যা হতে পারে। এগুলো ছাড়া আমি নিজের একটা
নির্দিষ্ট সময় বের করে নিন। যখন আপনি গাছের পরিচর্যা করবেন।
গাছের পানি দেওয়া,
গাছের ডাল কেটে ফেলে দেওয়া এবং ইত্যাদি বিষয় গুলো মাথায় রেখে নিজের সময় বের
করুন। যদি ফল বিক্রির উদ্দেশ্য থাকে তাহলে বাজারে ফলের চাহিদা আছে কিনা সেটাও
দেখার বিষয়। গাছ লাগানোর পর দ্রুত ফল নাও আসতে পারে তাই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে
হবে।
ড্রাগন ফলের চারা নির্বাচন করবেন যেভাব
বাড়ির ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি গুলোর মধ্যে অন্যতম দেখার বিষয়
হচ্ছে সঠিক চারা নির্বাচন করা। সঠিক চারা নির্বাচন করতে আপনাকে বেশ কিছু বিষয়
মাথায় রাখতে হবে যেমন ড্রাগন ফলের চারা নিতে গেলে আগে সুস্থ ও সবল গাছের কাটিং
বা চারা দেখে নিবেন।
ডালটি সবুজ, মোটা ও টাটকা হলে ভালো, খুব শুকনো বা নরম হলে
নেবেন না। চারায় পচা দাগ, কালো ছোপ, পোকার ক্ষতি বা ফাটল আছে কি না ভালো করে
দেখে নিন। অন্তত এক থেকে দেড় ফুট লম্বা কাটিং হলে দ্রুত বাড়তে সুবিধা হয়।
পুরোনো ফলধরা গাছ থেকে নেওয়া কাটিং হলে আরও ভালো ফল পাওয়ার আশা থাকে। নার্সারি
থেকে কিনলে বিশ্বস্ত জায়গা থেকে কিনবেন।
বেশি ড্রাগন ফল পেতে সার দেওয়ার নিয়ম
আপনি যদি বেশি ড্রাগন ফল চান, তাহলে সার দেওয়ার কাজটা নিয়ম মেনে করতে হবে। গাছ
লাগানোর এক মাস পর থেকে অল্প অল্প করে জৈব সার দিন। যেমন পচা গোবর, ভার্মি
কম্পোস্ট বা পাতা পচা সার খুব ভালো কাজ করে।
প্রতি মাসে একবার টবের মাটি আলগা করে
চারদিকে সার ছিটিয়ে দিন, তারপর হালকা পানি দিন। একসাথে বেশি সার দেবেন না, এতে
শিকড় পুড়ে যেতে পারে। গাছ ছোট থাকলে কম কম সার দিন, বড় হলে একটু বাড়ান। মাটি
সব সময় ঝুরঝুরে রাখুন। গরমের দিনে সকালে সার দিলে গাছ সহজে পুষ্টি নিতে পারে
ভালোভাবে তাড়াতাড়ি।
গাছে যখন ফুল আসার প্রস্তুতি দেখবেন, তখন ফসফরাস ও পটাশযুক্ত সার দিলে ফলন বাড়ে।
আপনি চাইলে হাড়ের গুঁড়া, সরিষার খৈল ভেজানো পানি বা ফলের গাছের জন্য তৈরি মিশ্র
সার দিতে পারেন। তবে মাত্রা বুঝে দেবেন, বেশি দিলেই বেশি ফল হবে এমন নয়।
ফুল
আসার সময় নাইট্রোজেন বেশি দিলে ডাল বাড়ে কিন্তু ফল কমে যেতে পারে। তাই ভারসাম্য
রেখে সার দিন। বর্ষাকালে সার কম দিন, কারণ তখন মাটি ভেজা থাকে। দুই মাস পরপর টবের
উপরিভাগের পুরোনো মাটি বদলালে গাছ আরও ভালো থাকে এবং ফলন বাড়ে নিয়মিতভাবে প্রতি
মৌসুমে ভালো।
রোগ এবং পোকা থেকে গাছ বাঁচানোর উপায়
ছাদে রোগ এবং পোকা থেকে গাছগুলো বাঁচাতে প্রথমে সমস্ত ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের
সঠিক পদ্ধতি মেনে কাজ করতে হবে।প্রথমে আপনি যদি ড্রাগন ফল গাছকে রোগ আর পোকা থেকে
বাঁচাতে চান, তাহলে আগে গাছটা নিয়মিত দেখে রাখুন।
পাতায় দাগ, পচা অংশ বা পোকা
দেখলেই তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিন। আক্রান্ত ডাল কেটে দূরে ফেলে দিন। গাছের চারপাশ
পরিষ্কার রাখুন, আগাছা জমতে দেবেন না। সকালে রোদ লাগলে রোগ কম হয়। মাঝে মাঝে
নিমপাতা ভেজানো পানি বা নিমতেল স্প্রে করতে পারেন। খুব বেশি সমস্যা হলে কৃষি
অফিসের পরামর্শ নিন। তাতে নিরাপদ সমাধান পাবেন সহজে দ্রুত ভালো।
ফল ঝরে যাওয়া বন্ধ করতে কার্যকর উপায়
আপনি যদি ড্রাগন ফলের ফল ঝরে যাওয়া বন্ধ করতে চান, তাহলে আগে গাছের যত্নে
নিয়মিত হতে হবে। ফুল আসার সময় হঠাৎ পানি কম বা বেশি দেবেন না, এতে ছোট ফল ঝরে
যায়। গাছে পর্যাপ্ত পুষ্টি থাকতে হবে, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও পটাশ দরকার।
অতিরিক্ত ডাল থাকলে কিছু ডাল ছেঁটে দিন, তাহলে গাছ ফল ধরে রাখতে পারে। খুব গরম
বাতাস বা ঝড়ে ফল ঝরে, তাই সম্ভব হলে আড়াল দিন। ফুল ফোটার সময় কীটনাশক ব্যবহার
কম করুন। গাছে পিঁপড়া বা ক্ষতিকর পোকা উঠলে সরান। নিয়মিত নজর রাখলে ফল ঝরা অনেক
কমে যাবে সহজেই পরে ভালো ফল পাবেন।
ফল সংগ্রহের সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতি জানুন
আপনি যখন ড্রাগন ফল তুলবেন তখন আগে ফলের রং দেখুন। খোসা উজ্জ্বল লাল বা গোলাপি
হলে সাধারণত ফল পেকে যায়। ফলের ডানার মতো অংশ একটু শুকাতে শুরু করলে তোলার সময়
হয়। খুব কাঁচা অবস্থায় তুলবেন না, এতে স্বাদ কম থাকে।
সকালে বা বিকেলে ফল তুললে
ভালো থাকে। ধারালো পরিষ্কার কাঁচি ব্যবহার করুন। ফলের সাথে সামান্য ডাঁটি রেখে
কাটুন, এতে সংরক্ষণ ভালো হয়। হাতে জোরে টানবেন না কখনো এতে গাছের ডাল
ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পরে সমস্যা বাড়ে সহজে তাই সাবধানে তুলুন আজ এখন সবসময় ধীরে
শান্তভাবে পরিচ্ছন্নভাবে কাজ করুন এবং ঝুড়ি কাছে রাখুন নিরাপদে বহন করার জন্য
সাথে নিন আজ ঠিক।
তোলার পরে ফলগুলো ছায়ায় রেখে মাটি বা ধুলো পরিষ্কার করুন। পানি দিয়ে ধুলে
ভালো, তবে পরে শুকিয়ে নেবেন। ফাটা বা আঘাত লাগা ফল আলাদা রাখুন, কারণ সেগুলো
দ্রুত নষ্ট হয়। ভালো ফল ঠান্ডা ও শুকনা জায়গায় রাখলে কয়েকদিন টাটকা থাকে।
বাজারে বিক্রি করলে আকার ও রং দেখে আলাদা করলে দাম ভালো পাওয়া যায়। পরিবারের
জন্য রাখলে পাকার পর কেটে খেতে দিন। অতিরিক্ত চাপ দেবেন না, এতে দাগ পড়ে যায়
সহজে। ঝুড়ি ব্যবহার করুন বহনে সুবিধা হবে সবসময় এবং নিরাপদ থাকবে পরে আরও যত্ন
নিন প্রতিদিন সাজিয়ে রাখুন সুন্দরভাবে ঘরে তখন সবাই খুশি হবে খুব সহজ মনে রাখবেন
আপনি অবশ্যই।
নতুন চারা তৈরীর সহজ কাটিং পদ্ধতি জানুন
নতুন ড্রাগন ফলের চারা করতে আপনি প্রথমে সুস্থ গাছের মোটা ডাল নিন তারপর আট থেকে
দশ ইঞ্চি করে কেটে নিচের অংশ শুকাতে একদিন ছায়ায় রাখুন পরে টবে বা জমিতে
ঝুরঝুরে মাটি দিন কাটিং এর নিচের দিক মাটির ভিতর বসান হালকা পানি দিন বেশি নয় টব
রোদেলা জায়গায় রাখবেন কিন্তু তীব্র রোদে নয় দশ পনেরো দিনের মধ্যে শিকড় ধরবে
তখন নিয়মিত যত্ন নিলেই দ্রুত বড় হবে আরও ভালো ফলন পেতে মাঝে মাঝে মাটি শুকালে
পানি দেবেন আগাছা দেখলে তুলে ফেলবেন গাছটি সোজা রাখতে পাশে খুঁটি দিন তাহলেই
দ্রুত ডাল বেরোবে এবং গাছ শক্ত থাকবে। এটা ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি
গুলোর মধ্যে একটি।
সফল ছাদ বাগান বানানোর জন্য পরামর্শ
আপনি ছাদে বাগান করতে চাইলে আগে ছাদের পানি নামার ব্যবস্থা দেখে নিন তারপর কোথায়
বেশি রোদ আসে সেটা বুঝে টব সাজান হালকা ওজনের টব নিলে ছাদের চাপ কমে ভালো মাটি
বানাতে বালি কোকোপিট আর জৈব সার মেশান টবের নিচে ছিদ্র রাখুন যাতে পানি জমে না
যায় গাছ বাছাই করার সময় মরিচ টমেটো লেবু ধনিয়া মতো সহজ গাছ নিন শুরুতে কম গাছ
নিলে যত্ন নিতে সুবিধা হবে পরে ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়ান নিয়ম মেনে কাজ করলে
বাগান সুন্দর থাকবে সবসময় আপনার মনে আনন্দ দেবে প্রতিদিন নতুন সবুজ দেখে মন ভালো
হবে খুব সহজ পথে শুরু করুন আজ থেকেই নিশ্চিন্তে আপনি পারবেন।
আপনি গাছের যত্ন নিতে প্রতিদিন সকালে একটু সময় দিন শুকনা মাটি দেখলে পানি দেবেন
তবে বেশি দেবেন না কারণ শিকড় পচে যেতে পারে সপ্তাহে একদিন তরল জৈব সার দিলে গাছ
দ্রুত বাড়ে শুকনো পাতা ডাল কেটে ফেললে নতুন কুঁড়ি আসে পোকা দেখলে নিমতেল
মিশ্রিত পানি ছিটান টব মাঝে মাঝে ঘুরিয়ে দিলে সব দিক সমান রোদ পায় ঝড় বৃষ্টি
এলে দুর্বল গাছ পাশে বেঁধে রাখুন ফল ধরলে খুঁটি দিন যাতে ডাল না ভাঙে এভাবে যত্ন
নিলে ছাদ বাগান ভরা থাকবে তাজা সবজি ফুল ফল নিয়ে সারা বছর জুড়ে আপনার ঘর হাসবে
খুব সুন্দর করে প্রতিদিন আনন্দ দেবে মনে নিশ্চয় অনেক বেশি।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানলাম
এবং ছাদে বাগান তৈরি করা, ড্রাগন গাছের চারা তৈরি থেকে ফল কাটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ
প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বললাম।
আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার কাছে ভালো
লেগেছে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ভাবে
ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন, আপনার সুস্থতা কামনা করি।



মনে রেখো ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url