অ্যালোভেরা জেল জেল মুখে লাগানোর নিয়ম- উপকারিতা, ব্যবহার ও সর্তকতা
অ্যালোভেরা জেল জেল মুখে লাগানোর নিয়ম উপকারিতা সম্পর্কে ভাবছেন? ত্বকের প্রাণহীন ভাব দূর করে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে এবং ত্বককে সুন্দর ও মসৃণ রাখতে অ্যালোভেরা জেল।
তবে এই জাদুকরী উপাদানের সর্বোচ্চ উপকারিতা পেতে এর সঠিক ব্যবহার, নিয়ম এবং কিছু জরুরি সতর্কতা জানা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে সঠিক নিয়মে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন দাগহীন ও নিখুঁত ত্বক।
পেজ কন্টেন্ট সূচিপত্রঃঅ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর নিয়ম -উপকারিতা,ব্যবহার ও সতর্কতা জানুন।
- অ্যালোভেরা জেল কি ? অ্যালোভেরা জেলের প্রধান উপকারিতা জানুন
- অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর নিয়ম সম্পর্কে জানুন
- অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর উপকারিতা জেনে নিন
- অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর অপকারিতা জেনে নিন
- প্রাকৃতিক উপায়ে অ্যালোভেরা জেল তৈরির নিয়ম
- নিয়ম নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে মুখে কি পরিবর্তন হয়
- অ্যালোভেরা জেল জেল ব্যবহারের দশটি নিয়ম সম্পর্কে জানুন
- অ্যালোভেরা জেল কি সারারাত মুখে ব্যবহার করে রেখে দেওয়া যায়
- অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের সময় সতর্কতা সম্পর্কে জানুন
- অ্যালোভেরা জেলের পুষ্টিগুণ এবং ব্যবহারের সেরা সময় কোনটি
- অ্যালোভেরা জেল জেল কেন এত জনপ্রিয় এবং এটি প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষণের নিয়ম জানুন
- লেখকের নিজস্ব মতামত।
অ্যালোভেরা জেল জেল কি ? মুখে এলোভেরা জেল ব্যবহার করার প্রদান উপকারিতা গুলো কি
অ্যালোভেরা জেল জেল হলো ,অ্যালোভেরা জেল গাছের পাতার ভেতরে থাকা একধরনের ঘন, স্বচ্ছ এবং জেলি মতো দেখতে একটি উপাদান। এই পাতাটি কাটলে বা মাঝখান থেকে ফালি করলে যে পিচ্ছিল নির্যাসটি পাওয়া যায়, সেটিই মূলত অ্যালোভেরা জেল । এই জেলে প্রায় ৯৯% পানি থাকে। বাকি ১% এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন (এ, সি, ই), এনজাইম, খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এলোভেরা জেল ত্বককে ঠাণ্ডা রাখতে, আর্দ্রতা জোগাতে এবং যেকোনো ধরনের জ্বালাপোড়া বা ক্ষত দ্রুত কমাতে সাহায্য করে মুখে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের প্রধান কিছু উপকারিতা রয়েছে সেগুলোর নিচে ধরা হলো- অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ত্বক গভীর থেকে তার আদ্রতা ফিরে পায় , ফলে ত্বক শুষ্ক হয় না এবং নরম মসৃণ ও কোমল থাকে। অ্যালোভেরা জেল নিয়মিত মুখে লাগালে যে কোন দাগ খুব সহজেই দূর হয়ে যায । অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের করলে ত্বককে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখায়।
- চাঁদের মুখে অনেক যাদের মুখে অনেক ব্রণ উঠে তারা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন কারণ অ্যালোভেরা জেল থাকা উপাদান ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে নতুন ব্রণ হওয়া একদম বন্ধ করে। ব্রণের কারণে মুখে হওয়া লালচে ভাব, ফোলাভাব এবং জেদি দাগগুলো আস্তে আস্তে হালকা হয়ে যায় অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহারে ব্যবহারের ফলে। এবং যাদের ত্বক তৈলাক্ত ত্বককে দাগহীন এবং তেলমুক্ত রাখতে এলোভেরা জেল এর ব্যবহার অপরিসীম।
- কোলাজেন নামক পুষ্টি যখন কমে যায় তখন মানুষের শরীরে বয়সের তুলনায় বেশি বয়স দেখায় কারণ কোলাজেনের অভাবে চামড়া কুঁচকে যায় , জুলে পরে আর এগুলা হয় যখন কোলাজেন এর অভাব দেখা দেযে।কোলাজেন এর অভাব দূর করতে এলোভেরা জেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ অ্যালোভেরা জেল রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন সমৃদ্ধ উপাদান যা ঝুলে যাওয়া চামড়াকে টানটান করে এবংএলোভেরা জেল ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করে এবং ত্বক টানটান রাখে।
- চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল দূর করতে এই জেলের ব্যবহার অনেক। প্রতিদিন ব্যবহারে মুখের চামড়ায় বলিরেখা বা বয়সের ছাপ সহজে পড়তে পারে না, ফলে ত্বক দেখায় প্রাণবন্ত এবং সতেজ ।
মুখে এলোভেরা জেল লাগানোর সঠিক নিয়ম
১. মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করা
মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগানোর আগে অবশ্যই কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে কারণ সঠিক নিয়মে অনুসরণ না করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে না। অ্যালোভেরা জেল লাগানোর আগে অবশ্যই মুখ কোন ভালো মানের ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে তারপর মুখটা কোন কিছু দিয়ে মুছে এলোভেরা জেল লাগিয়ে নিতে হবে। মুখে ময়লা বা তেল থাকলে জেল ত্বকের ভেতরে ঢুকতে পারে না। তাই সঠিক উপকারিতা পাওয়ার জন্য যেটা জেল ব্যবহারের পর যাতে ত্বকের গভীরে পৌছায় ত্বককে সঠিক পুষ্টি যোগায় এজন্য সঠিক নিয়মে ব্যবহার করতে হবে।
২. জেল আলতো হাতে ম্যাসাজ করা
মুখে ব্যবহার করার সময় খুব জোরে মেসেজ করা যাবে না প্রথমে জেলটা পুরা মুখে ফোটা ফোটা করে আলতো হাতে লাগিয়ে নিন তারপর আঙ্গুলের ডগা দিয়ে আস্তে আস্তে ত্বকের সাথে মিশে লাগিয়ে নিন দুই থেকে পাঁচ মিনিট মেসেজ করলে জেল আপনার ত্বকের গভীরে চলে যাবে এবং প্রতিটা কোষ এ ঢুকে তথ্যের উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত করে তুলবে লাগিয়ে নিন। এরপর আঙুলের ডগা দিয়ে নিচ থেকে ওপরের দিকে বৃত্তাকারে আলতো করে ম্যাসাজ করুন।
৩. কতক্ষণ রাখবেন এবং ধোয়ার নিয়ম
জেল লাগানোর পর ২০ থেকে ২৫ মিনিট মুখে রেখে দিন যাতে ত্বক পুষ্টি উপাদানগুলো শুষে নিতে পারে। এরপর সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। আর আপনি যদি রাতে ঘুমানোর আগে নাইট ক্রিম হিসেবে লাগাতে চান, তবে পাতলা স্তরে লাগিয়ে সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলবেন।
আরু পড়ুনঃ ৫০ হাজার টাকায় ২৫ টি ঘরোয়া ব্যবসায়ের সেরা আইডিয়া
তেমনি অ্যালোভেরা জেল বেলায়ও আপনি পরীক্ষা করে দেখবেন যে আপনার ত্বকে অ্যালোভেরা জেল দেওয়ার পরে ত্বক জ্বালাপোড়া করছে কিনা বা এলার্জি কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা যদি এরকম সমস্যা না হয় তাহলে নিরাপদে আপনি অ্যালোভেরা জেল মুখে নাইট ক্রিম হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
মুখে এলোভেরা জেল লাগানোর প্রধান উপকারিতা
১. ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হওয়া থেকে রক্ষা করে অ্যালোভেরা জেল।ত্বককে ভেতর থেকে নরম ও তুলতুলে রাখে আমরা যখন রোদে বা ধুলাবালিতে ঘুরে বেড়াই তখন আমাদের ত্বকের বিতর বাহিরের দুলা এবং রোদ ত্বকে শুষ্ক ও খসখসে করে দেয় কিন্তু অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করার ফলে ত্বক গভীর থেকে পুষ্টি পায় এবং ত্বক প্রাণবন্ত ও সতেজ দেখায়, অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করার ফলে ত্বকে আঠালো কোন ভাব থাকে না ।
২. যাদের মুখে ব্রণ এবং চুলকানির সমস্যা আছে তাদের জন্য এলোভেরা জেল খুবই উপকারী। অ্যালোভেরা জেল থাকা পুষ্টি উপাদান ব্রণের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।ত্বককে সুস্থ রাখে এবং ত্বকের এলার্জির কারণে সৃষ্টি হওয়া লালছে ভাব দূর কর।আপনি যদি অ্যালোভেরা জেল নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে ব্রন থেকে সৃষ্টি হওয়া কালো দাগ চলে যাবে ব্রণ এবং আস্তে আস্তে পরিষ্কার দেখাবে উজ্জ্বল হবে।
৩. সারাদিন রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মুখে যে কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে, তা দূর করতে অ্যালোভেরা জেল এর জুড়ি নেই। রোদ থেকে ফিরে মুখ ধুয়ে এই জেল লাগালে ত্বক নিমেষেই ঠান্ডা ও শান্ত হয়। এটি রোদে পোড়া চামড়াকে দ্রুত সারিয়ে তুলে ত্বকের আসল রঙ ফিরিয়ে আনে।
৪. যাদের মুখ অনেক বেশি তেল তেলে তারা তেলতেলে ভাব কমানোর জন্য বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে অ্যালোভেরা জেল তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন।এতে মুখের অতিরিক্ত তেল এর উৎপাদন কমিয়ে আপনার ত্বককে করে তুলবে তেলমুক্ত এবং প্রাণবন্ত,উজ্জল ও সতেজ। আপনার ত্বকের তেলতেলে ভাব জখন কমে যাবে তখন ত্বকে নতুন করে ময়লা জমে নতুন করে ব্রণ হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।
৫. চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে অ্যালোভেরা জেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেক সময় আমাদের বিভিন্ন হতাশা,টেনশন এবং রাত জেগে পড়াশোনা করার কারণে চোখের নিচে কালো হয়ে যায়। অর্থাৎ ডার্ক সার্কেল হয় এতে দেখতে খারাপ লাগে কিন্তু আমরা যদি নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করি তাহলে এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারবো। রাতে ঘুমানোর আগে যদি আপনি চোখের চারপাশে মেসেজ করে তাহলে কয়েকদিনের মধ্যেই আপনার চোখের চারপাশ চামড়া উজ্জ্বল প্রাণবন্ত দেখাবে।
৬. চামড়া ঝুলে যাওয়া এবং বয়সের ছাপ দূর করতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার এর উপকারিতা অনেক।অ্যালোভেরা জেল ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে, যা ত্বকে সহজেই বয়সের ছাপ পড়তে দেয়না।এটি নিয়মিত মাখলে মুখের চামড়া টানটান থাকে এবং বলিরেখা বা ফাইন লাইনস পড়ার সুযোগ পায় না। ফলে অল্প বয়সেই ত্বক বয়স্ক দেখানোর চিন্তা থেকে একদম মুক্তি পাওয়া যায়।
মুখে এলোভেরা জেল লাগানোর কিছু অপকারিতা
- যে কোন উপাদানের সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধা রয়েছে যাদের ত্বকে এলার্জি আছে তাদের ত্বকের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।কারণ এলার্জি সমস্যা আছে এমন ত্বকে এলোভেরা জেল মানায় না।তবে অনেক সময় এলার্জি থাকলেও মুখে এলোভেরা জেল দেওয়া যায় সে ক্ষেত্রে আপনাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে অ্যালোভেরা জেল সরাসরি মুখে না দিয়ে হাতের উপরে বা কানের পিছনে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিয়ে তারপরে মুখে লাগাবেন।
- .অনেকেই ভাবেন অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে বেশিক্ষণ রাখলে লাভ বেশি হবে কিন্তু এটা জানে না সবকিছুই একটা নিয়ম আছে নিয়মের বাইরে করলে তা ভালোর বদলে খারাপ ফল পাওয়া এই সম্ভাবনা বেশি থাকে একটা কথা মনে রাখবেন এলোভেরা জেল বেশি হন ত্বকে লাগিয়ে রাখলে তো নরম উজ্জ্বল হওয়ার বদলে শুস্ক এবং রক্ষ হয়ে যেতে পাখ।তাই অ্যালোভেরা জেল অবশ্যই নিয়মমতো নিয়ম মেনে ব্যবহার করুন নয়তো ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক বা খসখসে হয়ে যাবে।
- দিনের বেলা অ্যালোভেরা জেলমুখে ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ অ্যালোভেরা জেল মেখে রোদে গেলে বা চুলার আগুনের সামনে গেলে ত্বক তাপ ধারণ করে এবং উপকার হওয়ার বদলে ত্বকের ক্ষতি বেশি হয় ত্বক কালছে রং ধারণ করো তাই দিনের বেলা এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো রাতে ঘুমানোর আগে।যদি দিনের বেলায় ব্যবহার করেন তাহলে ধুয়ে সাথে সাথে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
- বাজারের সস্তা ও নকল এঅ্যালোভেরা জেল কিনা থেকে বিরত থাকুন। কারণ বাজারের সস্তা বা নকল এলোভেরা জেলে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর কেমিক্যাল, কৃত্রিম রঙ ও কড়া সুগন্ধি মেশানো থাকে। এগুলো মুখে মাখলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হয় এবং ত্বক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কেনার সময় ভালো ব্র্যান্ড দেখে এবং আসল-নকল যাচাই করে নেওয়া উচিত।
- যাঁদের মুখের চামড়া অনেক পাতলা বা স্কিন ড্যামেজ আছে, তাঁদের মুখে কাঁচা এলোভেরা জেল লাগালে জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই সেনসিটিভ ত্বকে এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা দরকার তাহলে আমি মনে করি।
প্রাকৃতিক উপায়ে এলোভেরা জেল তৈরির সঠিক নিয়ম
প্রাকৃতিক উপায়ে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ প্রাকৃতিক উপায়ে অ্যালোভেরা জেল তৈরি করে তা ব্যবহার করবেন কিভাবে তৈরি করবেন তার কিছু নিয়ম নিচে দেওয়া হল
- প্রথমে গাছ থেকে একটা পরিপক্ক ও মোটা এলোভেরা পাতা গোড়ার দিক থেকে কেটে নিন। কাটার পর পাতাটিকে একটা পাত্রে সোজা বা কাত করে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন, যাতে এর ভেতর থেকে ক্ষতিকর হলুদ রস বের হয়ে যায়। এই হলুদ রসটি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর, তাই এটি ঝরে যাওয়ার পর পাতাটি ভালো করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন জেল তৈরি করুন।
- অ্যালোভেরা পাতায় উপরে মোটা সবুজ চামড়া থাকে। প্রাকৃতিক উপায়ে অ্যালোভেরা জেল তৈরি করার সময় সবুজ চামড়া ছিলে জেল বের করা হয় এবং পাতার দুইপাশে কাঁটাযুক্ত যে অংশ থাকে তা কেটে ফেলে দিতে হবে। তারপর সবুর চামড়া আলতো করে হাতে উঠিয়ে নিয়ে ভেতরে থাকা স্বচ্ছ ও ঘন তেলটি একটি পাত্রে উঠে নিন । জেল তৈরি করুন।এবার পাতার দুই পাশের কাঁটাযুক্ত অংশ চাকু দিয়ে কেটে ফেলে দিন। এরপর পাতার ওপরের সবুজ চামড়াটি আলতো করে ছিলে নিলেই ভেতরে থাকা স্বচ্ছ ও ঘন জেলিটা দেখতে পাবেন। একটি চামচ বা চাকুর সাহায্যে সেই জেলিটা স্ক্র্যাপ করে বা কুড়ে একটি পরিষ্কার বাটিতে তুলে নিন।
- বাটিতে তোলা জেলির টুকরো গুলোকে একটি পরিষ্কার বাটিতে রাখুন। তারপর একটি ব্লেন্ডারের সাহায্যে কয়েক সেকেন্ড ব্র্যান্ড করে নিন এবং এরপর দেখবেন খাঁটি অ্যালোভেরা জেল তৈরি হয়ে যাবে। যেহেতু এতে কোনো কেমিক্যাল নেই, তাই এটি সাধারণ ফ্রিজে রেখে ১০ থেকে ১২ দিন অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন। আর দীর্ঘদিনের জন্য রাখতে চাইলে এর সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে রেখে বরফ বানিয়ে রেখে দিতে পারেন।
নিয়মিত এলোভেরা জেল মুখে ব্যবহার করলে কি পরিবর্তন হয়
নিয়মিত মুখে এলোভেরা জেল ব্যবহার করলে ত্বকে এক জাদুকরী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এটি প্রতিদিন মাখার ফলে ত্বকের ভেতরের শুষ্কতা একদম দূর হয়ে ত্বক হবে নরম, তুলতুলে ও সতেজ। মুখের ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া কালো ছোপ ছোপ ভাব এবং চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল আস্তে আস্তে হালকা হয়ে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো, এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে ব্রণ হওয়া কমায় এবং চামড়া টানটান রেখে বয়সের ছাপ বা বলিরেখা পড়তে দেয় না, যার ফলে ত্বক সবসময় প্রাণবন্ত ও চিরসবুজ দেখায়।
এলোভেরা জেল ব্যবহারের ১০টি নিয়ম
১অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর আগে অবশ্যই ভালো কোন ফেসওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে।কারণ ত্ববক ময়লা থাকলে জেলে থাকা পুষ্টি উপাদান ত্বকের ভিতরে ঢুকতে পারে না।ফলে ব্যবহার করার পরও ভালো ফলাফল আশা করা যায় না।
২. অ্যালোভেরা গাছ থেকে পাতা কাটার পর,পাতাকে ১৫ মিনিট খাড়া করে রেখে দিবেন।খাড়া করে রেখে দেওয়ার পর পাতার ভিতর থেকে ক্ষতিকর হলুদ রস সম্পূর্ণ ফেলে দিতে হবে। কারণ এই হ্লুদ রস সহ মুখে লাগালে তীব্র চুলকানি বা র্যাস হতে পারে।
৩ অ্যালোভেরা জেল মুখে দেওয়ার সময় অবশ্যই একটা দেশের মাথায় রাখতে হবে এর মুখের উপরে কখনোই জোরে জোরে মাসুদ করা যাবে না ফালতু হাতে পোড়া মুখে. আলতো হাতে ম্যাসাজ সামান্য জেল নিয়ে পুরো মুখে ডট ডট কোটার মতো করে দিয়ে ওপরের দিকে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। জোরে ঘষাঘষি না করে আঙুলের ডগা দিয়ে ২ মিনিট ম্যাসাজ করুন এতে ত্বকের কোন ক্ষতি হবে না।
৪. অনেকে মনে করেন জেল মুখে দিয়ে বেশি সময় রাখলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল সবকিছুই একটা নিয়ম আছে -যেমন জেল মুখে দিয়ে রাখা সঠিক নিয়ম হলো ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে তারপরে ধুয়ে ফেলতে হবে।এর বেশি সময় রাখা একবারই ঠিক না।
৫. অ্যালোভেরা জেল রাতে নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।রাতে ঘুমানোর আগে সিরাম বা ক্রিমের মতো পাতলা করে জেল মুখে লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। সারারাত এটি ত্বকের ড্যামেজ মেরামত করে সকালে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করবে।
৬. রোদে যাওয়ার আগে না লাগানো দিনের বেলা রোদে বা চুলার আগুনের সামনে যাওয়ার ঠিক আগে এলোভেরা জেল মাখা যাবে না। রোদের তাপে জেল গরম হয়ে উল্টো ত্বককে দ্রুত কালো করে দিতে পারে।
আরও পড়ুনঃকোলেস্টেরল কমানোর ঘরোয়া উপায়-জেনে নিন সমাধান
৭. ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তাঁরা জেল ধুয়ে ফেলার পর সামান্য ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগিয়ে নেবেন। এতে এলোভেরার আর্দ্রতা ত্বকের ভেতরে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকবে এবং ত্বক হবে প্রাণবন্ত ও সতেজ।
৮. মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ,মেকআপ করার ১০ মিনিট আগে একটু সামান্য অ্যালোভেরা জেল নিয়ে মুখে মেখে নিতে পারেন।এতে মেকআপ অনেকক্ষণ সুন্দর থাকে।মেকআপ এর আগে প্রাইমার হিসেবে ব্যবহার অ্যালোভেরা জেল।
৯. চোখের নিচের কালো দাগ এবং ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য এলোভেরা জেল ব্যবহার করা হয়।তবে এক্ষেত্রে সাবধান থাকতে হবে,যাতে চোখে চারদিকে মেসেজ করার সময় জেল যাতে চোখের ভিতরে ঢুকে না যায় কারণ চোখের ক্ষতি হতে পারে তাই সাবধানে চোখের চারপাশে মেসেজ করতে হবে।চোখের নিচে সাবধানে লাগানো চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে অনামিকা আঙুল দিয়ে আলতো করে জেল ম্যাসাজ করুন। খেয়াল রাখবেন জেল যেন কোনোভাবেই চোখের ভেতরে ঢুকে না যায়।
১০. সব ধরনের ত্বকে যে অ্যালোভেরা জেল ভালো কাজ করবে বিষয়টি তেমন ভাবা ঠিক না।তাই আপনার ত্বকে এলোভেরা জেল ভালো ফলাফল হবে কিনা তা জানার জন্য প্রথমে সরাসরি মুখে না দিয়ে কানের পিছনে বা হাতের করে টেস্ট করে দেখতে পারেন।তারপর ব্যবহার করতে পারেন। যদি ১০ মিনিটে কোনো চুলকানি না হয়, তবেই এটি মুখে ব্যবহার করুন।
এলোভেরা কি সারারাত মুখে ব্যবহার করে রেখে দেওয়া যায়
হ্যাঁ,অ্যালোভেরা জেল সারারাত মুখে মেখে রেখে দেওয়া যায়, তবে সেটির ব্যবহার এবং স্কিন টাইপের ওপর কিছু বিষয় নির্ভর করে। আপনি যদি বাজারের কেনা ১০০% খাঁটি এবং কেমিক্যালমুক্ত রেডিমেড জেল ব্যবহার করেন, তবে তা নাইট ক্রিমের মতো সারারাত ত্বকে রেখে দেওয়া একদম নিরাপদ।এটি রাতের বেলা ত্বককে মেরামত করে সকালে তোকে দেখায় উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। কারণ কাঁচা জেল শুকিয়ে চামড়া অতিরিক্ত টেনে ধরতে পারে এবং সংবেদনশীল ত্বকে চুলকানি বা র্যাশ তৈরি করতে পারে। তাই কাঁচা পাতা থেকে নেওয়া জেলের ক্ষেত্রে ব্যবহারের ২০-২৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, আর বাজারের ভালো ব্র্যান্ডের প্রক্রিয়াজাত জেল হলে অনায়াসে সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে পারেন।
এলোভেরা জেল ব্যবহারের জরুরি সতর্কতা
- গাছ থেকে পাতা কাটার পর যে হলুদ রঙের তরল কষ বের হয়, তা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর । পাতা কেটে অন্তত ১৫ মিনিট খাড়া করে রেখে এই কষটা পুরোপুরি ফেলে দিতে হবে। এই কষ মুখে লাগলে ত্বকে চুলকানি, র্যাশ বা চামড়া লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।
- অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক উপাদানহলেও সবার ত্বকে এটি সহ্য নাও হতে পারে। তাই প্রথমবার পুরো মুখে মাখার আগে কানের পেছনে বা হাতের ত্বকে সামান্য জেল লাগিয়ে অন্তত ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে দেখুন। যদি কোনো চুলকানি বা জ্বালাপোড়া না হয়, তবেই এটি মুখে ব্যবহার করুন।
- দিনের বেলা মুখে অ্যালোভেরা জেল মেখে সরাসরি কড়া রোদে বা চুলার আগুনের সামনে যাওয়া একদম উচিত নয়। এলোভেরা জেল রোদের তাপ ধরে রাখে, যার ফলে ত্বক খুব দ্রুত তামাটে বা কালো হয়ে যেতে পারে। দিনের বেলা ব্যবহার করলে মুখ ভালো করে ধুয়ে তারপর সানস্ক্রিন মেখে বাইরে বের হওয়া উচিত।
- অনেকেরই ধারণা, মুখে জেল যত বেশি সময় রাখা যাবে তত বেশি লাভ—এই ধারণা একদম ভুল। ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে জেল শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলা উচিত। এর চেয়ে বেশি সময় বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা রেখে দিলে এটি উল্টো ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা টেনে নিয়ে চামড়া খসখসে ও শুষ্ক করে ফেলে।
- মুখে যদি কোনো বড় ক্ষত, চামড়া ছিলে যাওয়া বা ইনফেকশন থাকে, তবে সেখানে সরাসরি কাঁচা অ্যালোভেরা জেল লাগানো ঠিক নয়। এতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বা চুলকানি আরও বেড়ে যেতে পারে। সাধারণ ব্রণ বা হালকা রোদে পোড়া দাগে এটি নিরাপদ হলেও গভীর ক্ষতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছু লাগানো উচিত।
এলোভেরা জেলের পুষ্টিগুণ ও ব্যবহারের সেরা সময়
পুষ্টিগুণঃঅ্যালোভেরা জেল আসলে পুষ্টির একটা জাদুকরী প্রাকৃতিক উপাদান বলা হয়ে থকে। সাধারণভাবে একে শুধু পিচ্ছিল পানি মনে হলেও এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি এবং ই—যা আমাদের ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে ভেতর থেকে আসল উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়াও এতে থাকা জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান মুখের ব্রণ ও যেকোনো ক্ষত দ্রুত সারিয়ে তোলতে সাহায্য করে। আর এর বিশেষ এনজাইম এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড ত্বকের মরা চামড়া দূর করে মুখকে সবসময় নরম, তুলতুলে আর টানটান রাখতে সাহায্য করে। মুখে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করার সঠিক সময় কোনটি তা অনেকে জানে না। সঠিক সময়গুলো তো দুটি চলুন জেনে নেই সম্পর্কে।
-
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করার সবচেয়ে সেরা সময় হলো রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করা। রাতে আমাদের ত্বক নিজে নিজেই ড্যামেজ মেরামত করে। তাই ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে এলোভেরা জেল পাতলা করে লাগিয়ে রাখলে এটি নাইট ক্রিমের মতো কাজ করে এবং সকালে ত্বককে দেখায় একদম ফ্রেশ ও উজ্জ্বল।
-
সারাদিন রোদে ঘোরার কারণে ত্বকে যে জ্বালাপোড়া বা কালচে ভাব তৈরি হয়, তা দূর করার জন্য রো্দ থেকে ঘরে ফিরে আর পরে এটি ব্যবহার করতে পারেন। রোদ থেকে ফিরে মুখ ধুয়ে এই জেল ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ত্বক নিমেষেই ঠাণ্ডা ও শান্ত হয়ে যায়।
এলোভেরা জেল কেন এত জনপ্রিয় ও সংরক্ষণের নিয়ম
অ্যালোভেরা জেল জনপ্রিয় হওয়ার প্রধান কারণ হলো এটি শুধু দুঃখের ত্বকের জন্য ই উপকারী না এর পাশাপাশি ত্বক, চুল এবং স্বাস্থ্যের যত্নে খুবই উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি মুখের ব্রণ দূর করা, ত্বককে নরম রাখা থেকে শুরু করে চুলের খুশকি ও চুল পড়া কমাতে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করো। যেকোনো দামি কেমিক্যাল প্রোডাক্টের চেয়ে এই একটি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা অনেক বেশি নিরাপদ ও সাশ্রয়ী।
২ সারাদিন রোদে ঘুরাফেরা করার পর রোদে পোড়া বাপ চুলকানি এখনো হালকা কেটে গেলে আর অ্যালোভেরা জেল লাগালে সাথে সাথে জ্বালাপোড়া বন্ধ হয়ে ঠান্ডা অনুভূত হয়। সাথে সাথে একটা দারুণ শীতল অনুভূতি অনুভব করা যায়। এটি ত্বকের জ্বালাপোড়া কমিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চামড়াকে খুব দ্রুত ভেতর থেকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এই তাৎক্ষণিক উপকারের কারণেই যুগের পর যুগ ধরে মানুষের কাছে এর জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি।
আরও পড়ুনঃ মেয়েদের চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়গুলো
৩. প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি খাঁটি অ্যালোভেরা জেল কোনো কেমিক্যাল ছাড়া সাধারণ ফ্রিজে রেখে ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। জেলিটা ব্লেন্ড করার পর একটি পরিষ্কার ও বাতাস ঢুকতে পারে না এমন কাঁচের কৌটায় ভরে রাখতে হবে। ব্যবহারের সময় পরিষ্কার চামচ দিয়ে জেল বের করতে হবে, যাতে ভেতরের জেলের গুণগত মান একদম ঠিক থাকে।
৪. যদি অ্যালোভেরা জেল ১ থেকে ২ মাস পর্যন্ত ভালো রাখতে চান, তবে জেলের সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি আইস কিউব ট্রেতে ঢেলে ফ্রিজের ডিপে রেখে বরফ বা কিউব বানিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। প্রতিদিন রোদ থেকে ফিরে বা রূপচর্চার সময় একটি করে আইস কিউব বের করে সরাসরি মুখে ম্যাসাজ করা খুবই সহজ।
লেখকের নিজস্ব মতামত
আমার মতে বাজারে পাওয়া হাজার হাজার দামি দামি ব্রান্ডের কেমিক্যাল মিস্ত্রিত উপাদান ব্যবহার না করে।প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা উপাদান ব্যবহার করা ত্বকের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। আমি নিজেই অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করে ব্যবহার করে দেখেছি ত্বকের ও চুলের জন্য খুবই উপকার একটি উপাদান।তাই আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনারা বাজারের কেমিক্যাল কেমিক্যালযুক্ত পণ্য পিছনে না ছুটে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা উপাদান এর মাধ্যমে নিজের রূপচর্চা করুন।এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমি আমার আর্টিকেলে তুলে ধরেছি অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগানোর নিয়ম, উপকারিতা,ব্যবহার ও সর্তকতা জানতে হলে।এলোভেরা জেল সম্পর্কে জানতে হলে আমার পুরো আর্টিকেলটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।যদি আমার লেখাগুলো ভালো লেগে থাকে তাহলে নিজে পড়ুন এবং অন্যকে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।ধন্যবাদ ।



মনে রেখো ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url