চুল পড়া বন্ধ ও চুলের গোড়া মজবুত করার উপায়

 চুল হল মানুষের সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ ।  চুল ছাড়া মানুষের সৌন্দর্য পুরোপুরিভাবে ফুটে ওঠে না  । তবে আজকাল এমন কেউ বলতে পারবেনা যে  চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছে না ।  চুল পড়া শুধু স্বাভাবিক চুলের অযত্নের কারণে হয় না চুল পড়ার সাথে শরীরের ও বিভিন্ন রোগের সম্পর্ক রয়েছে  । 

চুল হল মানুষের সৌন্দর্যের


চুল পড়া নিয়ে আমরা কখনো বেশি চিন্তা করব যখন দেখব চুল ৫০ থেকে ১০০ টির ও বেশি পড়ছে তখন । আমরা চুল পড়াটাকে স্বাভাবিক না মনে করে ডক্টরের পরামর্শ নিব । তবে সঠিক যত্ন কিছু নিয়ম মেনে চললে চুল পড়া সহজেই কমানো যায়  ।আজকাল আমরা অনেকেই মনে করি যে আমরা চুলের অযত্ন করি  তাই চুল পড়ে যাচ্ছে ।  আসলে ব্যাপারটা কি তাই ,হ্যাঁ হতে পারে তবে আমাদের শরীরের রোধ প্রতিরোধ অন্যান্য যদি কোন রোগ থাকে ওই কারণেও দিনের পর দিন চুল উঠতে পারে । আজ আমরা আলোচনা করব চুল কেন ওঠে ,চুল পড়া বন্ধ করার উপায় কি এবং খেলে চুলের গোড়া মজবুত হবে  কিভাবেএবং চুল পড়া বন্ধ হবে কিভাবে এসব ব্যাপারে  ।অতএব চুল পড়া ও চুলের গোড়া মজবুত করার উপায় জানার জন্য চোখ রাখুন আমার বিস্তারিত আলোচনায়। 

পেইজ কন্টেন্ট সূচিপত্র ঃ চুল পড়া বন্ধ ও চুলের গোড়া মজবুত করার উপায়।

    

কোন বয়সের মানুষের চুল পড়ে বেশি

কোন বয়সের মানুষের চুল পড়ে বেশি এটা বলা আসলেই মুশকিল  । প্রকৃতপক্ষে বলতে গেলে ,চুল পড়ার কোন নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই সব বয়সের মানুষেরই চুল পড়ার সমস্যাটা থাকতে পারে  । তবে অল্প বয়স যেমন ১০ থেকে ১৫ বছরের মানুষের চুল হালকা করে । বিশেষ করে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সের মানুষের চুল পড়ার সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়।

 কারন মানুষের জিবনের এই সময়টাই সবচেয়ে বেশি চিন্তা ,স্টেস,মানুসিক অশান্তি তে ভুগেন এবং তাদের খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস ও ভালো থাকে না আর এসবের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে চুলের উপর ,কারন চুলের অবস্তান মাথার উপর।আর মাথা গরম থাকলে চুল ত পড়বে ই।জেনেটিক ও হরমনাল জনিত কারনে ৩০ থেকে৪৫ বছরের মানুসের চুল পড়ে বেশি, আমার বিভিন্ন রোগ যেমন  থাইরয়েড এবং পুষ্টির অভাবেও মানুষের চুল পড়ে যাচ্ছে  ।

 ৪৫ বছর বয়সে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং তার বেশি বয়স থেকে মানুষের চুল পড়া সমস্যাটা বেশি দেখা যায় । কারন ঐ সময় মানুসের রোগ প্রতিরোধ  ক্ষমতা কমে যায় ফলে চুল পড়ার সমস্যা টা বেশি দেখা দেয়

চুল সুন্দরের প্রতীক

সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ । সুন্দর ওমসৃণ চুল নারী পুরুষ সবাইকে আকর্ষণীয় করে তোলে । তবে আজকাল এই চুল পড়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে  । চুল পড় আবার গজাবে এটাই তো স্বাভাবিক ।  কিন্তু  বর্তমান সময়ে যখন আগেকার দিনে দাদি, চাচি্মা‌,রা মাথা  ভর্তি চুল নিয়ে ঘুরে তখন কার সময় আমাদের চুল পড়া নিয়ে অল্প বয়সে চিন্তা করতে হচ্ছে।

 আজকাল খুবই অল্প বয়সে মানুষের মাথা থেকে চুল ওঝরে ঝরে যাচ্ছে  । মানুষের কিছু অনিয়ম খাদ্যবাস অযত্ন কিছু বিশেষ কারণে চুল পড়ার সমস্যাটা দিন দিন বেড়েই চলছে । আর মানুষ অল্প বয়সে সৌন্দর্য চুলের সৌন্দর্য হারাচ্ছে ।

 অতএব নিজের সৌন্দর্যকে দরে রাখার জন্য নিয়মিত চুলের যত্ন নিতে হবে এবং ভালো ভালো খাবাররের  অভ্যাস বাড়াতে হবে । যে খাবার খেলে চুল পড়া কিছুটা বন্ধ হবে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে , চুলের গোড়া ভিতর থেকে মজনুত হবে ঐরকম  খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ।
চুল হল একটা মানুষের কতে পারে কি কি কারনে চুল পড়ে তা নিছে তুলে ধরা হলো ।চুল পড়া মানেই কি শোধও বংশগত একদম ই না। প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টি চুল পড়া স্বাভাবিক যদি তার থেকে বেশি চুল পড়া শুরু করে তাহলে স্বাভাবিকভাবে না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চুল পড়ার কারণ চিহ্নিত করতে হবে

চুল পড়ার কারন

স্টেস  ও মানসিক চাপ  

 অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও টেনশন থাকলে মানুষের কটিসল হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং  হেয়ার ফলিকন গুলো দুর্বল হয়ে যায় এবং চুল পড়া শুরু করে। বিশেষ করে বড় ধরনের কোন অপারেশন দীর্ঘস্থায়ী কোন রোগ যদি শরীরে ভাষা বেধে ভাবে তখন চুল পড়ার পরিমান বেড়ে যায়

পুষ্টির অভাব 

 আয়রন  ,জিংক , বায়োটিন কিংবা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারের অভাবে চুল দুর্বল হয়ে যায়  । হরমোনাল পরিবর্তন গর্ভাবস্থায় যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে বা পিসিওসি এর মত রোগগুলওতে চুল পড়া বেড়ে যায় ।  অতিরিক্ত কেমিক্যাল যেমন স্টেইনার ও সালফেট যুক্ত কোন শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং চুল পড়া শুরু করে।  

মাথার ত্বকের যে কোন রোগ

 যেমন খুশকি কিংবা ফাংগাল ও সুরিয়সিসের মত রোগের কারনে চুল দুবল হয়ে জায় আর চুল পড়া শুরু করে। মাথার কোন ইনফেকশন এবং চর্ম রোগের কারণেও চুল পড়ে যায়

বংশগত কারনে 

যদি আগে থেকে বংশের কারো  টাক বা চুল পড়ার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে চুল  পড়তে পারে ।  এটা সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত কারণেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে । বংশগত কারণে পুরুষের মাথায় সাধারণত সামনের দিকে বা উপরের দিকে অর্থাৎ তালু থেকে চুল উঠে যায় আর মহিলাদের ক্ষেত্রে মাথা সিথি  চওড়া হয়ে চুল উঠে যায় এবং পাতলা দেখায়।

হরমোন জনিত সমস্যা 

মানুষের প্রায়ই হরমনের সমসসা দেখা দেয় আর হরমোন চুল ভালো রাখা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে  । আর এই হরমোন যখন পরিবর্তন হয় বিশেষ করে নারীদের গর্ব অবস্থায় , সন্তান প্রসবকালে এবং ম্যানুপুযের সময়ে আবার যদি থাইরয়েডের সমস্যা থাকে তাহলে হরমোনাল পরিবর্তন হতে শুরু করে  । আর এ কারণেই চুল সাময়িকভাবে চুল পড়ে এবং চুল পাতলা হয়ে যায় । 

ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

মানুষের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণে এক এক চিকিৎসা নেওয়া হয়  এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ানো হয়  । যেমন ক্যান্সার হলে কেম থেরাপি দেয় আর কেমোথেরাপি দিলে চুল ঝরে যায়  । উচ্চ রক্তচাপ  , হৃদ রোগ  ,ডিপ্রেশন বাতের ব্যথায় এবং বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটি ক ওষুধ সেবনের ফলে চুল পড়ে যায় ।

ভুল জীবনযাত্রা ও হেয়ার স্টাইল

আজকাল অনেকে চুল লম্বা ও কাল এবং আকর্ষিণীয় করে তুলার জন্য বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক কেমিকেল ব্যবহার করে এবং ঘন ঘন পার্লারে গিয়ে চুল রিবন্ডিং করায়,চুলে অতিরিক্ত হিট দেয় এবং চুল অনেক শক্ত করে চুল বাধে এতে করে চুল খতিগ্রাস্ত হয়।

চুল পড়া বন্ধ করার  ঘরোয়া উপায়

চুল পড়া করার জন্য ঘরোয়া উপায় খুবে কার্যকর ভুমিকা পালন করে।কিছু ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করে আমরা খুব সহজে চুল পড়া বন্দ করতে পারবো তাহলে চলুন আমরা জেনে নিই ঘরোয়া উপায় গুলু কি কি।

পেয়াজের রস ব্যবহার

চুল পড়া বন্ধ করতে পেয়াজের ব্যবহারের কোন জুরি নাই।পেয়াজের রসে থাকে প্রচুর পরিমানে সালফার।পেয়াজের রস মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করলে ইতে থাকা সালফার চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

মেথি ও নারিকেল তেলের ব্যবহার

চুল পড়া বন্ধ করতে মেথির ব্যবহার প্রাচীন যুগ থেকেই চলে আসছে  ।চুলের যত্নে এবং চুল পড়া বন্ধ করার জন্য মানুষ মেথির ব্যবহার করে  ।এক থেকে দুই কাপ তেলের সাথে কতগুলো মেথি দানা দিয়ে ফুটিয়ে গরম তেল তৈরি করে নিলে ওই তেল মাথায় ম্যাসাস করলে চুল পড়া খুব সহজে বন্ধ হয়ে যায় ও চুল দ্রত লম্বা হয়।

এলোভেরা ও অলিভ অয়েল এর ব্যবহার

চার টেবিল চামচ এলোভেরা জেল এর সাথে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে মাসাজ করুন এবং ৩০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এতে চুল পড়া খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ হবে এবং চুল ঘন ও লম্বা হবে

আমলকি ঘুরার ব্যবহার

 আমলকি চুলের জন্য খুবই উপকারী । আমলকির গুড়া বা তেল চুলের গোড়ায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি যোগায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে ।  তাই চুল পড়া বন্ধ করার জন্য আমলকি ব্যবহার করা করতে পারেন ।

ডিম মধু ও চিনির ব্যবহার 

চুল পড়া কমাতে এবং চুল পড়া বন্ধ করতে ডিম মধু চিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন  । একটি  ডিমের সাথে একটা চামচ মধু ও চিনি মিশিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর শ্যাম্পু করুন দেখবেন আপনার চুল কতটা সিল্কি ও প্রাণবন্ত হয়েছে এবং চুল পড়া ও বন্ধ হবে ।


মেহেদি পাতার ব্যবহার

চুল পড়া বন্ধ করতে প্রাকৃতিকভাবে মেহেদী পাতার ব্যবহার করতে পারেন  ।কতগুলো মেহেদি পাতা নিয়ে বেটে তার সাথে ডিম মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখোন। শুকিয়ে যাওয়ার পর তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন এতে করে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে এবং চুল হবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।
চুল পড়া বন্ধ করতে

চুলের গোড়া মজবুত করার উপায়

১) মোটা চুল করতে ও মজবুত করার জন্য নারিকেল তেলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণে ক্যাস্টর অয়েল ভালো করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগালে চুল অনেক মোটা ও মজবুত হয়।

২) তোর মজবুত করার জন্য প্রতিদিন রাতের বেলা ঘুমাতে যাবার আগে নারিকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফুলের গোড়ায় লাগাতে পারেন এতে চুল অনেক ঘন ও মজবুত হবে

৩) আমলকীয় রইল লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুলের গোড়া মজনুত হবে
৪) শিকাকাই ও দইয়ের মিশ্রণ লাগালে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া বন্ধ হবে

৫) ভিতর থেকে চুলের গোড়া মজবুত করার জন্য বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাবেন যেমন আয়রন ক্যালসিয়াম এসব বেশি পরিমাণে । ভিটামিন এ, ই ,সি যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ আছে ওই খাবারগুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন এতে করে আপনার চুল পড়বে না।

৬) চুলের গোড়া মজবুত করার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ও পানি খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে । প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ক্লাস পানি পান করতে হবে এবং ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে এতে করে চুল ভালো থাকবে।

কোন ভিটামিনের অভাবে মাথার অতিরিক্ত চুল পড়ে

 বিভিন্ন ভিটামিনের  অভাব  হলে মাথার চুল পড়া শুরু করে ।বিশেষ করে মানুষের শরীরে যখন ভিটামিন ডি এর অভাব সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় তখন  মানুষের মাথা থেকে অতিরিক্ত চুল পড়া শুরু করে। নিচে কোন ভিটামিনের অভাবে চুলের কি ক্ষতি হয় তা দেখানো হলো ঃ
ভিটামিনের নাম অভাবে যা হয় প্রধান উৎস
ভিটামিন B7(বায়টিন) চুল পড়ে বাদাম ,কলা,দুধ,মাছ
ভিটামিন D চুলের গুড়া দুবল ও নতুন চুল গজায় না রোদ, ডিম,মাছ,দুধ
ভিটামিন B12 চুল বড় হয় না এবং খসখসে দেখায় মাংস ,ডিম,দুধ,মাছ
ভিটামিন E কোলাজেন কমে জায় ফলে চুল ভাঙ্গে গাজ্রর ,পালংশাখ,ডিম
ভিটামিন Aand c রক্ত সঞ্ছালন কমে চুল ঝড়ে পড়ে ্সবুজ শাখ সব্জি,অলিভ অয়েল


চিকিৎসার মাধ্যমে চুল কোন করার উপায়

চিকিৎসার মাধ্যমে মাথায় নতুন এবং  পাতলা চুলকে ঘন করা সম্ভব এক্ষেত্রে চুলের বেশ কিছু চিকিৎসা করতে পারেন ।  তবে চুলের চিকিৎসা করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে ।  চুলের ট্রিটমেন্ট যেমন হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট, পিআরপি থেরাপি ,লেজার থেরাপ্‌ পুষ্টি হিন্তায় থাকলে আয়রন বা বায়োটিন  সাপ্লিমেন্ট ,হরমোনের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চুলে ওষুধ মেডিসিন নিতে হবে।জেমন 
পি আর পি থেরাপি ঃ হেয়ার হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট মানে হচ্ছে চুল পড়া রোগের নিজের রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে মাথার তোকে ইনজেকশন দেওয়া হয় যা চুলের ফলিকল মজনু করে

হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ঃ শেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার মাধ্যমেও টাক মাথায় চুল বসানো খালি হয়ে যাওয়া এমন স্থানে নতুন চুল প্রতিস্থাপন করাকে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বলা হয় ।সম্ভব । হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট হলো টাক পড়ে যাওয়া বা মারাত্মকভাবে চুল পড়ে মাথা 

মেসোথেরাপি
মেসো থেরাপি হল টাক পরা মাথায় সরাসরি ইনজেকশন এর মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান পৌঁছে দেওয়া

চুলের যত্ন নেওয়ার সঠিক উপায়

আপনি কি সুন্দর ও প্রাণবন্ত চুল চান ।যা আপনার সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ বাড়ি য়ে তুলবে তবে তাহলে আজ থেকেই শুরু করুন তুলে সঠিক চুলের সঠিক যত্ন নেওয়া  । মনে রাখবেন চুলের যত্ন নেওয়া শুধু ভালো পণ্য ব্যবহার করা নয় । চুলের পরিচর্যার জন্য একটি রুটিন মেনে আপনি  চুলের যত্ন নিবেন । চুলের জন্ত নেওয়ার জন্য কিছু টিপস আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ।

প্রথমত

 নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যব হার
 শ্যাম্পু সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন   ব্যবহার করতে পারেন ।আপনি ভালো কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন  ।প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়  । এতে করে চুল খসখসে হয়ে যায় এবং চুল ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

 দ্বিতীয়ত 

শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই ভালো কোন মানের কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না। চুলকে ভালো রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করবেন দৈনিক ৮ থেকে ১০প্লাস পানি পান করা জরুরী এতে আপনার চুল ভালো থাকবে ।

 তৃতীয়ত 

সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন তেল বা ক্যাস্টর তেল চুলে ভালোভাবে  মেসাজ করবে ।

চতুথত

হেয়ার প্যাক ব্যবহার সপ্তাহে অন্তত দুই দিন প্রাকৃতিক হেয়ার প্যাক যেমন গাছের মেহেদী ,ডিমের কুসুম, মেথি, কালোজির্‌ পেঁয়াজ রস এগুলো সব একসাথে মিক্সড করে ্প্যাক তৈরি করে দুদিন লাগাবেন। তিরিশ মিনিট রেখে দেওয়ার পর শ্যাম্পু করবেন তারপর দেখবেন আপনার চুল অনেক সুন্দর সাইনিং হবে  ।

পঞ্চম

 চুল আছানোর জন্য অবশ্যই ভালো মানের চিরুনি ব্যবহার করবেন । বড় দাঁতের চিরুনিগুলা নির্বাচন করবেন ।

ষষ্ট

আজকাল অনেকেই পার্লারে গিয়ে চুলে বিভিন্ন ধরনের ট্রিটমেন্ট করান এবং চুলকে বারবার হিট দেন এটা কখনোই করবেন না এতে চুল পড়ার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যাবে ।

সপ্তম 

ঘুমের আগে চুল  ভালোভাবে আছড়ে হালকাভাবে বেঁধে তারপরে ঘুমাবেন। কারণ ঘুমানোর সময় চুল ছাড়া থাকলে বালিশে গসা লেগে চুল ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই ঘুমানোর আগে চুল অবশ্যই হালকাভাবে বেধে ঘুমাবেন ।

 অষ্টম 

খাদ্যাভাস ও নিয়ন্ত্রণ  করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর  খাবার এবং ভিটামিন ই ,ভিটামিন বি ১২ ভিটামিন ডি, জাতীয় খাবার বেশি খাবেন।

চুল পড়া ঠেকাতে পারে রান্না ঘরের এই ১০উপাদান

শুধু যে ডাক্তারের চিকিৎসা করে বা ভালো ভালো মানের পণ্য মাথায় দিয়ে চুল পড়া বন্ধ করা যাবে এবং চুলের গোড়া মজবুত করা যাবে তেমন নয়  । আমাদের হাতের কাছে অনেক কিছুই আছে যা একটু ধৈর্য ধরে ব্যবহার  করলে চুল পড়া বন্ধ ও  চুলের গোড়া নতুন হবে এবং চুল হবে আকর্ষণীয় সুন্দর । 

 যেমন  রান্নাঘরে যে ১০ উপাদান আমাদের চুল পড়া রোধ করতে পারে তার নাম গুলো আমি নিচে তুলে ধরলাম লেবু ,আদা,কারি পাতা ,পেঁয়াজের রস্,ডিম, চিনি এগুলো এবং প্রাকৃতিকভাবে মেহেদী পাতা, পেয়ারা পাতা ইত্যাদি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার চুল পড়া রোধ করতে পারেন ।

অতিরিক্ত চুল পড়া কোন রোগের লক্ষণ

অতিরিক্ত চুল  যদি কোন ভয়ানক অসুস্থতা শরীরে বাসা বাঁধে তখনই এবং ওই  মেডিসিন হিসেবে  থেরাপি দেওয়া হয় তাহলে মাথায় সব চুল পড়ে যায়  ।যেমন ক্যান্সার কেমথেরাপি, থাইরয়েড্হ‌রমোন জনিত সমস্যা অতিরিক্ত চুল পড়ে ।আর অতিরিক্ত চুল পড়লে দিনে যদি ৫০ থেকে ১০০ টা চুল পড়ে তাহলে স্বাভাবিক, কিন্তু তার অর্ধেক এবং অতিরি,ক্ত যদি চুল পড়ে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
অতিরিক্ত চুল  যদি কোন

শেষ কথা
আমার মতে চুল সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ করে তাই চুলকে অবশ্যই ভালো ভাবে যত্ন নিতে হবে । চুল পড়া বন্ধ করার জন্য যা যা করা দরকার যা খাওয়া দরকার নিয়মমাফিক তা মেনে চলতে হবে । তাহলে চুল থাকবে  বয়স ৬০ হলেও চুল থাকবে সুন্দর ও প্প্রাণবন্ত ।

 উপরে আমার আলোচনা থেকে জানতে পারবেন কি করে- চুল পড়া বন্ধ করার উপায় ,চুলের গোড়া মজবুত করার উপায় , ডাক্তারি  চিকিৎসায় চু নতুন চুল গজানো এবং কি কি খেলে চুল ভালো থাকবে  খাবার সম্পকে আমি তুলে ধরেছি।আশা করি আমার পোস্টটি পড়ে আপনি উপক্রিত হবেন এবং ভাল লাগলে অন্যদের কাছে তা শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url