গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম জানুন

গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে কথা বলব। বর্তমানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুগল ম্যাপে এড করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গুগল ম্যাপে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এড করা খুব একটা কঠিন কাজ না। এই কাজটা মোবাইল দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব।

গুগল-ম্যাপে-নতুন-ব্যবসার-লোকেশন-অ্যাড-করার-নিয়ম
গুগল ম্যাপে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের করা জন্য যে সমস্ত ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে, সেগুলো নিয়ে আজকে আমরা কথা বলব। কিভাবে গুগল ম্যাপে আপনার প্রতিষ্ঠান এড করবেন জানতে আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ুন, তাহলে আপনার সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে।

পেজ সূচিপত্রঃ গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম

গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম

গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম হচ্ছে আপনাকে প্রথমে আপনার ডিভাইসের ইন্টারনেট চালু করতে হবে। এরপর ফোন থেকে গুগল ম্যাপের অ্যাপ ওপেন করতে হবে এবং কম্পিউটার থেকে ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ অপশন ব্যবহার করে google ম্যাপ লিখে সার্চ করতে হবে। এই লিংকে ক্লিক করে সরাসরি গুগল ম্যাপের ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারবেন।
গুগল-ম্যাপে-নতুন-ব্যবসার-লোকেশন-অ্যাড-করার-নিয়ম
তারপর মেনু থেকে "Add your business" অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে গিয়ে পাশে থাকা ফর্মে আপনার ব্যবসার সঠিক নাম লিখুন। তারপর আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ক্যাটাগরি বেছে নিন, যেমন দোকান, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ইত্যাদি। এই সমস্ত কাজ করার আগে অবশ্যই চেক করে নেবেন সবকিছু ঠিক আছে কিনা, কারণ ভুল হলে আপনাকে আবার বেশি ঝামেলা করতে হবে। ভালো ভাবে বুঝতে নিচের স্ক্রিনশট টা দেখতে পারেন।
গুগল-ম্যাপে-নতুন-ব্যবসার-লোকেশন-অ্যাড-করার-নিয়ম
এরপর আপনার কাছে তথ্য নেওয়ার একটা ফর্ম চলে আসবে। সেখানে ফোন নাম্বার, ওয়েবসাইট লিংক ইত্যাদি ইত্যাদি তথ্য দিন। ভালো ভাবে পরে ভিজে তার পর আপনার তথ্য দিবেন। যদি আপনার ওয়েবসাইট না থাকে তাহলেও কোনো সমস্যা নেই। এর পরে সব তথ্য একবার ভালো ভাবে দেখে নিন।
গুগল-ম্যাপে-নতুন-ব্যবসার-লোকেশন-অ্যাড-করার-নিয়ম
এরপর আপনার কাজ শেষ শুধু next বাটনে ক্লিক করলে আপনার আবেদন চলে যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন ভুল তথ্য দিলে আপনার আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। তাই সব সময় সঠিক তথ্য দিন।
গুগল-ম্যাপে-নতুন-ব্যবসার-লোকেশন-অ্যাড-করার-নিয়ম
অনুমতি পাওয়ায় পরে কেউ ম্যাপে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে সার্চ করলে সেটা তার কাছে চলে যাবে এবং সে আপনার প্রতিষ্ঠানের লোকেশন দেখতে পারবে। গুগল ম্যাপে আপনার প্রতিষ্ঠান দেখা গেলে আপনার প্রতিষ্ঠান বা দোকানের গ্রাহক সংখ্যা তুলনা মূলক ভাবে বাড়বে এবং পাশাপাশি আপনার আয়ও বাড়বে। তাই গুগল ম্যাপে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা দোকান এড করাটা ভালো একটা ব্যাপার। এভাবে আপনি খুব সহজে গুগল ম্যাপে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এড করতে পারবেন। 

গুগল ম্যাপে ব্যবসার সময়সূচি কিভাবে যোগ করবেন

গুগল ম্যাপে ব্যবসার সময়সূচি ঠিক করতে বা যোগ করতে গুগল ম্যাপ খুলে আপনার দেওয়া প্রতিষ্ঠান সম্পাদনা করুন, তারপর সেখানে যাওয়ার পরে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের সমস্ত সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারবেন। এই অংশের সপ্তাহের সাত দিনের তালিকা থাকবে।

 আপনি সপ্তাহে যেদিন খোলা রাখবেন সেদিন অন এবং যেদিন বন্ধ রাখবেন সেদিন অফ করে রাখুন। এছাড়া সেখানে সময় ঠিকভাবে দিয়ে দিন। যেমন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চাইলে সেই সময়টা দিয়ে দিন।


যদি দিনে একাধিক সময় দোকান বা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে তাহলে "Add More Hours" অপশন ব্যবহার করতে পারেন। তারপর এখান থেকে ঈদ, পূজা এবং দোকান বন্ধ থাকবে এমন বিশেষ দিনের সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এই সমস্ত কিছু ঠিক করে দেওয়ার পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে google ম্যাপে নতুন আপডেট করা তথ্য গুলো দেখা যাবে।

 সঠিক সময় দিলে মানুষ অযথা দোকানে এসে ফিরে যাবে না এবং দোকান কখন খোলা থাকে সেই সম্পর্কের তারা জানতে পারবে। তাই সব সময় গুগল ম্যাপে দোকান খোলা এবং বন্ধের সময় আপডেট করে রাখা ভালো

গুগল ম্যাপে মোবাইল নাম্বার এবং ওয়েবসাইট এড করার উপায়

গুগল ম্যাপে মোবাইল নাম্বার এবং ওয়েবসাইট এড করার জন্য প্রথমে google ম্যাপ ওপেন করুন। তারপরে প্রোফাইলে ঢুকুন এবং এডিট প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করুন। এরপরে সেখান থেকে যোগাযোগ বিভাগ খুলুন। যেখানে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার এবং ওয়েবসাইট লিংক এড করতে পারবেন। সেখানে ফোন নাম্বার লেখার ঘর পাবেন সেখানে আপনার সচল ফোন নাম্বার লিখুন, যাতে গ্রাহক আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। নাম্বার লেখার সময় দেশের কোড ঠিক আছে কিনা চেক করে দেখুন, কিসের কোড ঠিক না থাকলে কল নাউ আসতে পারে। এবং নাম্বারটা ঠিক দিয়েছেন কিনা সেটা চেক করে দেখুন। 
গুগল-ম্যাপে-মোবাইল-নাম্বার-এবং-ওয়েবসাইট এড-করার-উপায়
ওয়েবসাইট যোগ করার নিয়ম ও ঠিক একই। তাই যেভাবে মোবাইল নাম্বার যোগ করেছেন সেই ভাবে ওয়েবসাইট এড করে দিন।  এছাড়া আপনি যদি ফেসবুকের লিংক দিতে চান তাহলে সেখানে সেটাও দিতে পারেন। লিংক দেয়ার সময় অবশ্যই ক্লিক লিংক দেবেন না হলে ভিজিটর অন্য ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারে। লিংক দেওয়ার পরে save চাপুন। এরপর কিছু সময়ের মধ্যেই গুগল ম্যাপে ওয়েবসাইট লিংক দেখা যাবে। এর ফলে মানুষ আপনার সব ধরনের সার্ভিস সহকারে জানতে পারবে, এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

গুগল ম্যাপে দোকান এবং প্রতিষ্ঠানের ছবি এড করার উপায়

গুগল ম্যাপের দোকান ও প্রতিষ্ঠানের ছবি এড করার জন্য প্রথমে গুগল ম্যাপ ওপেন করে নিন। তারপর গুগল ম্যাপস লগইন করে নিন। এরপরে আপনার ব্যবসার প্রোফাইল খুলুন, তারপর ছবি অপশন খুজে বের করুন।  ছবি অপশন খুজে পেলে সেখানে গিয়ে ছবিটি যোগ করুন। 

এমন ছবি দেওয়ার চেষ্টা করবেন যেটা বেশি আলোতে তোলা এবং পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে তাহলে দেখতে ভালো লাগে। দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ছবি দেওয়ার সময় বাইরে ভিতরে দুই জায়গারই ছবি দিবেন, এর ফলে মানুষ জানতে পারবে আপনার প্রতিষ্ঠানটি কেমন। এই সমস্ত ছবি আপলোড করার পরে গুগল সেগুলো রিভিউ করে কিছু সময়ের মধ্যে প্রোফাইল করে দেবে।

গুগল ম্যাপে ভুল লোকেশন দিলে যেভাবে ঠিক করবেন

গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম জানার পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুগল মাপে এড করার পর যদি দেখেন লোকেশন টি কোন ভাবে ভুল হয়ে গেছে তাহলে সেটা যেভাবে ঠিক করবেন সেটা হলো প্রথমে গুগল ম্যাপ ওপেন করে নিন।

 তারপর ব্যবসায়িক প্রোফাইল খুলে নিন, তারপর এডিট লোকেশন অপশনে ক্লিক করুন। তারপর পিনটা বর্তমানে যেখানে রয়েছে সেটা সড়িয়ে সঠিক জায়গায় নিয়ে গিয়ে রেখে দিন। এরপর ঠিকানা ঠিক দিয়েছেন কিনা, রাস্তা নাম্বার ঠিক দিয়েছেন কিনা, বাড়ি নাম্বার ঠিক দিয়েছেন কিনা এই সমস্ত বিষয় চেক করে নিন। যাতে পরবর্তীতে আবার কোন সমস্যা না হয়।


যদি নিজে এডিট করার সময় না পান তাহলে গুগল ম্যাপে ব্যবসার নাম খুলে পরিবর্তনের পরামর্শ অপশন ব্যবহার করুন। সেখানে "Change name or other details" অপশন নির্বাচন করে সঠিক ঠিকানা ও লোকেশন লিখুন।

 প্রয়োজন হলে কাছের চেনা স্থানের নামও দিতে পারেন, যাতে যাচাই সহজ হয়। তারপর অনুরোধ পাঠিয়ে দিন। Google আপনার দেওয়া তথ্য গুলো যাচাই করে অনুমতি দেয়। ভবিষ্যতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জায়গা পরিবর্তন করলে নতুন ঠিকানা দিন গুগল ম্যাপে, যাতে গ্রাহক ভুল কোথাও না যাই।

লোকেশন দ্রুত র‍্যাঙ্ক করানোর কার্যকরী কিছু টিপস

গুগল ম্যাপে ব্যবসার লোকেশন দ্রুত র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য ব্যবসার প্রোফাইল সবসময়ই একটিভ রাখুন। নিয়মিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও আপলোড করুন। প্রতিষ্ঠান বা দোকানের কোন অফার থাকলে সে গুলো আমি তো আপডেট করুন।

 গ্রাহকদের ভদ্রভাবে রিভিউ দিতে বলুন এবং প্রতিটি রিভিউ এর ভদ্র ভাবে উত্তর দিন। ব্যবসার নাম, ব্যবসার ধারণার প্রয়োজনীয় শব্দ সাধারণ ভাবে বলুন। ম্যাপ এর ঠিকানা এবং সোশ্যাল মিডিয়া এড করা ঠিকানা সবসময় এক রাখুন। রাহুলটা যদি আপনার কাছে কোন প্রশ্ন করে তাহলে সেটা দ্রুত দেওয়ার চেষ্টা করবেন, এর ফলে গ্রাহকদের বিশ্বাস বাড়ে। তাই স্থানীয় গ্রাহকদের লক্ষ্য করে এই ভাবে কাজ করে যান।

ম্যাপে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যোগ করলে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়

গুগল ম্যাপে আপনার প্রতিষ্ঠান যোগ করলে মানুষ আপনার প্রতিষ্ঠান না চিনলে তারা গুগল ম্যাপ দেখে আপনার প্রতিষ্ঠানে আসতে পারে। এর ফলে কাস্টমার বাড়ে এবং পাশাপাশি আই বাড়ে। এই কাস্টমার গুলো হতে পারে আপনার আশেপাশের সার্চ করা মানুষ, যারা অনলাইনে আপনার দোকানের নাম বা আপনার দোকানের মতো কিছু সার্চ করেছে।

 কাস্টোমাররা ছবি দেখে আগে থেকেই ধারণা নিতে পারে আপনার দোকানের পরিবেশ কেমন। ব্যস্ত সময়, ভিড়ের সময় এমন জনপ্রিয় সময় ও তারা এখান থেকে দেখতে পারে যদি আপনি এটা এড করেন। তাই গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম জানার পরে এই ভাবে কাজ করলে লাভ হয়। 

গুগল ম্যাপ ব্যবহার করার টিপস জানুন

গুগল ম্যাপ ভালোভাবে ব্যবহার করতে আগে আপনার লোকেশন অন রাখুন, তাহলে বর্তমান অবস্থা ভালো ভাবে দেখা যাবে। কোথাও যাওয়ার আগে রুট দেখে যানজট, সময় ইত্যাদি বিষয় দেখ যাওয়া ভালো। যদি রাস্তায় কোন সমস্যা হয় তাহলে অন্য রাস্তা ব্যবহার করা যায় এর ফলে। আগে থেকে এই সমস্ত তথ্য জানা থাকলে পরবর্তীতে তার সমস্যা হয় না।

 ভ্রমণে বের হলে অফলাইন ম্যাপ ডাউনলোড করে রাখলে ইন্টারনেট ছাড়াও ম্যাপ দেখা যায়। ফলে আপনার ইন্টারনেট না থাকলে বা ইন্টারনেটে কোনো সমস্যা হলে অফলাইন ম্যাপ দেখা যেতে পারে। নতুন কোথাও গেলে বাস বাস স্ট্যান্ড, রেল স্টেশন এবং হওয়ার হোটেল খুঁজে না পেলে গুগল ম্যাপ দেখে সহজে সেগুলো বের করতে পারবেন। এতে আপনাকে বেশি খোঁজাখুঁজির ঝামেলা করতে হবে না।

বর্তমান সময়ে গুগল ম্যাপ ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে জানুন

বর্তমান সময়ে google ম্যাপ মানুষের জীবনে একটি উপকারী প্ল্যাটফর্ম। মানুষ অনেক উপকারিতা হচ্ছে। কোথায় যাওয়ার হলে বা কোথাও হারিয়ে গেলে এই গুগল ম্যাপ কাজে আসে। ফলে কোথাও ঘুরতে গেলে এটা দেখে খুব সহজে সেখানে যাওয়া যায় কোন সমস্যা ছাড়া।

 এবং কোথাও পথ হারিয়ে গেলে এটা দেখে সঠিক রাস্তাঘাট দেখে ফিরে আসা যায়। এই সমস্ত বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষ বর্তমানে এই প্ল্যাটফর্ম টা ব্যবহার করে। এছাড়া গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে অনেকেই তাদের ব্যবসা বাড়াচ্ছে। অনেকে আবার তাদের প্রতিষ্ঠান এড করছে যাতে মানুষ তাদের প্রতিষ্ঠান সহজে খুঁজে পায়। অনেক অন্যকে লোকেশান শেয়ার করছে এটা ব্যবহার করে।
বর্তমান-সময়ে-গুগল-ম্যাপ-ব্যবহারের-গুরুত্ব-সম্পর্কে-জানুন
ব্যবসা এবং অনলাইন সেবা নিয়ে এবার গুগল ম্যাপ এর অপেক্ষা অনেক বেড়েছে গুরুত্ব। এখন মানুষ নিজের প্র্যাক্টিসের বা যাবতীয় সেবা পেতে কি কি লাগবে সে আগে অনলাইনে খোঁজে দেখতে এই সেবার কোন দোকানে, ক্লিনিকে, রেস্টুরেন্টে অথবা অফিসে খুব কাছাকাছি অবস্থান সেরেছে।

 অতএব সে ভালো প্রতিষ্ঠান পেতে সহায়ক। আর সেবার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে ট্রানজ্যাকশন হোক, এই ক্ষেত্রে সার্ভিস জিম্মাদারের কাছ থেকে আবেগজনক নির্ণয় নেওয়া যায়। ডেলিওয়ার্কারা কুরিয়ার, ইমার্জেন্সি সেবা সেবাতেও গুগল ম্যাপ খুব কার্যকরী।  গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম জানলে এসব কাজ খুব সহজে করা যায়।

শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার পরে আপনি গুগল ম্যাপে নতুন ব্যবসার লোকেশন অ্যাড করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছেন। গুগল ম্যাপে লোকেশন বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এড করলে অনেক রকম সুবিধা পাওয়া যায়। 
তাই আমাদের এখানে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লোকেশন দেওয়া জরুরী। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন, আপনার সুস্থতা কামনা করি। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মনে রেখো ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url