ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার নিয়ম ২০২৬
গুগল অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায় জানা থাকলে কম খরচে
ভয়েস কলে কথা বলা যায়। বর্তমানে এই অ্যাপসটি ভীষণ পরিমাণে জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছে
বাংলাদেশে এবং এটা অনেকেই ব্যবহার করে সুবিধা পাচ্ছে। এই অ্যাপসটা ব্যবহার করা
খুবই সহজ।
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করলে কম কলরেটে কথা বলা সহ বিভিন্ন রকম সুবিধা পাওয়া
যায়। এইজন্য এই অ্যাপসটা ব্যবহার করা খুবই দরকারি। কিভাবে এই অ্যাপসটা ডাউনলোড
করবেন এবং ভেরিফাই করবেন সমস্ত প্রসেস আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানাবো।
পেজ সূচিপত্রঃ ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায়
- ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায়
- NID ভেরিফিকেশনের সময় যে ভুলগুলো করলে সমস্যা হতে পারে
- রিচার্জ করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন যেভাবে
- ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করার প্রধান সুবিধাগুলো
- ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে লেনদেন কতটা নিরাপদ
- কোন কোন অপারেটরে রিচার্জ করা যায়
- এই অ্যাপ ব্যবহার করে সময় ও খরচ কীভাবে বাঁচানো যায়
- রিচার্জ না হলে বা সমস্যা হলে সমাধান কী
- অন্য অ্যাপের তুলনায় ব্রিলিয়ান্ট কেন সেরা
- শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায়
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায় জানা থাকলে কম খরচে
যেমন কথা বলা যায় তেমন বিভিন্ন রকম সুবিধা রয়েছে। তাই এই অ্যাপসটা ডাউনলোড করে
সেটাপ করার জন্য প্রথমে, গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে ব্রিলিয়ান্ট লিখে সার্চ করুন
অথবা
এখানে ক্লিক
করে সরাসরি প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করুন। এরপর অ্যাপসটি আপনার ফোনে ওপেন করে
ফেলুন। ওপেন করার পরে আপনি দেখতে পাবেন একটা নাম্বার দেওয়ার ইন্টারফেস। তো
সেখানে আপনার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে "Continue" বাটনে ক্লিক এগিয়ে যান।
বিস্তারিত বোঝার জন্য নিচের স্ক্রিনশটটা দেখতে পারেন।
নাম্বার দেওয়ার পরে আপনার ফোনে একটি এসএমএস আসবে। সেই এসএমএসে একটি কোড পাবেন।
কোডটা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ এর মধ্যে দিয়ে দিবেন। এ সময় একটা বিষয় মাথায় রাখতে
হবে যেই সিম নাম্বার দিয়ে আপনি অ্যাপসটা লগইন করবেন বা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন
তখন সেই সিমটা আপনার ফোনে লাগানো থাকতে হবে। এরপরে আপনার একাউন্টের নাম এবং
প্রোফাইল পিকচার এড করতে হবে। ব্রিলেন্ট অ্যাপের মধ্যে আপনি নাম লেখার জায়গা
পেয়ে যাবেন এবং প্রোফাইল পিকচার আপলোড করার জন্য একটি মানুষের ছায়াযুক্ত ছবির
উপরে Add লেখা দেখতে পারবেন, সেই Add লেখায় ক্লিক করে প্রোফাইল পিকচার আপলোড করে
দিবেন।
এরপর আপনার একটি একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। এরপর আপনার কাজ হল জাতীয় পরিচয় পত্রের
তথ্য দেওয়া। প্রোফাইল পিকচার ও নাম জমা দেওয়ার পরে হোমপেজ থেকে নিচে থাকা সেটিং
আইকনে ক্লিক করুন, তারপর সেখান থেকে "NID" অপশন সিলেক্ট করুন। NID অপশন
সিলেক্ট করার পরে আপনার কাছে জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য দেওয়ার একটা পেজ চলে
আসবে। সেখান থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি তুলে দিন বা গ্যালারি থেকে দিয়ে দিন।
সেম একই প্রসেসে যেই ব্যক্তি জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়েছেন তার একটা ক্লিয়ার
সেলফি তুলে দিন বা গ্যালারি থেকে দিয়ে দিন। বিস্তারিত বুঝতে স্ক্রিনশট দেখতে
পারেন।
সকল তথ্য ঠিকভাবে দেওয়ার পরে আপনার একাউন্টে কিছুক্ষনের মধ্যেই ভেরিফাই হয়ে
যাবে। এর পরের কাজ হল আপনাকে রিচার্জ করা। রিচার্জ করতে আপনি বিকাশ নগদ এই ধরনের
প্লাটফর্ম গুলো ব্যবহার করতে পারেন। রিচার্জ করার জন্য আপনাকে প্রথমে অ্যাপের
হোমপেজ থেকে সেটিং এ আইকনে ক্লিক করতে হবে নিচের দিকে থাকা। তারপর মেনু থেকে
খুঁজে বের করতে হবে "My balance" তারপর সেটার উপরে ক্লিক করতে হবে। বিস্তারিত
বোঝার জন্য নিচে দেওয়া স্ক্রিনশটটা দেখতে পারেন।
তারপরে আপনি কত টাকা রিচার্জ করছেন সেখানে লিখে দিন। তারপরে বামদিকে থাকা রিচার্জ
বাটনে ক্লিক করে এগিয়ে যান। এরপর আপনি কোন মাধ্যমে রিচার্জ করবেন সেটা জানতে
চাওয়া হবে। সেখানে নগদ বিকাশ বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্যান্য রিচার্জ
পদ্ধতি দেওয়া থাকবে আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী রিচার্জ মাধ্যম
নির্বাচন করে নিবেন। তারপরে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক
করুন, তারপর আপনার সিমে একটা কোড যাবে সেই কোড টা দিন, এরপর আপনার পিন নাম্বার
দিয়ে রিচার্জ কনফার্ম করুন। এইভাবে আপনি ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ দিয়ে খুব সহজে
একাউন্ট তৈরি করে রিচার্জ করে ব্যবহার করতে পারবেন।
NID ভেরিফিকেশনের সময় যে ভুলগুলো করলে সমস্যা হতে পারে
আপনি যখন ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে NID ভেরিফিকেশন করতে যান, তখন আমি দেখেছি অনেকেই
ছোট ছোট ভুল করে বসেন, আর সেখান থেকেই সমস্যা শুরু হয়, যেমন আপনি যদি ছবিটা
পরিষ্কারভাবে না তোলেন বা আলো কম থাকে, তাহলে সিস্টেম ঠিকমতো তথ্য বুঝতে পারে না,
আবার অনেক সময় আপনি নিজের তথ্যের সাথে NID এর তথ্য মিল না রাখলেও ভেরিফিকেশন আটকে
যায়, আমি বলব আপনি আগে থেকে সব তথ্য ঠিক করে নিন, নাম, জন্মতারিখ এসব যেন একদম
মিল থাকে, তারপর ছবি তোলার সময় ফোন স্থির রাখবেন, আর ইন্টারনেট কানেকশন ভালো
রাখবেন, না হলে মাঝপথে প্রসেস বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এতে আবার নতুন করে শুরু করতে
হয়।
রিচার্জ করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন যেভাবে
আপনি যখন ব্রিনিয়ান্ট অ্যাপে রিচার্জ করতে যান, তখন আমি বলব প্রথমেই নিজের
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার দিকে একটু খেয়াল রাখুন, যেমন আপনি যদি পাবলিক WiFi
ব্যবহার করেন তাহলে চেষ্টা করবেন রিচার্জ না করতে, কারণ এতে আপনার তথ্য ঝুঁকিতে
পড়তে পারে, আপনি সবসময় নিজের মোবাইল বা নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন,
তারপর অ্যাপে লগইন করার সময় পাসওয়ার্ড শক্ত রাখবেন, সহজ কিছু দিলে অন্য কেউ
আন্দাজ করে ঢুকে যেতে পারে, সাধারণত অক্ষর, সংখ্যা আর সিম্বল মিশিয়ে পাসওয়ার্ড,
এতে নিরাপত্তা বাড়ে, আর আপনি কখনোই আপনার OTP বা পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে শেয়ার
করবেন না, যত কাছের মানুষই হোক, কারণ এখান থেকেই অনেক সমস্যা শুরু
এরপর আপনি যখন রিচার্জের ধাপে যাবেন, তখন ভালোভাবে নম্বরটা চেক করে নিবেন, অনেক
সময় তাড়াহুড়ায় ভুল নম্বরে রিচার্জ করা, তাই আপনি একটু ধীরে দেখে নিলে এই সমস্যা
হবে না, তারপর পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করার সময় নিশ্চিত হবেন যে অ্যাপটি অফিসিয়াল
এবং আপডেট করা আছে, পুরোনো ভার্সনে অনেক সময় সিকিউরিটি দুর্বল থাকে, আপনি যদি
কোনো অচেনা লিংক থেকে অ্যাপে ঢোকেন তাহলে সেটাও এড়িয়ে চলবেন, সবসময় সরাসরি অ্যাপ
খুলে কাজ করবেন। যদি আপনি যদি ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ
করার উপায় জেনে কাজ করেন তাহলে কম সমস্যা হবে।
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করার প্রধান সুবিধাগুলো
আপনি যদি ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাহলে আমি বলব এর সবচেয়ে বড় সুবিধা
হলো আপনি খুব সহজেই সব কাজ এক জায়গা থেকে করতে পারেন, আলাদা আলাদা দোকানে যাওয়ার
ঝামেলা থাকে না, আমি নিজে দেখেছি আপনি ঘরে বসেই রিচার্জ, পেমেন্ট বা অন্য কাজগুলো
দ্রুত করতে পারবেন, এতে সময়ও বাঁচে, আবার অনেক সময় অ্যাপে বিভিন্ন অফার বা
ক্যাশব্যাক থাকে, যেটা ব্যবহার করলে আপনার কিছু টাকা সেভ হয়, আপনি যদি নিয়মিত
ব্যবহার করেন তাহলে এই ছোট ছোট সুবিধাগুলো অনেক কাজে লাগে, আর অ্যাপের ইন্টারফেসও
সাধারণত সহজ হয়, তাই নতুন কেউ হলেও বুঝতে সমস্যা হয় না, একটু ব্যবহার করলেই সব
পরিষ্কার হয়ে যায়।
আরেকটা বিষয় আমি বলব, আপনি যদি নিরাপদভাবে লেনদেন করতে চান তাহলে এই ধরনের অ্যাপ
অনেক ক্ষেত্রে ভালো অপশন দেয়, কারণ এখানে প্রতিটি ট্রানজেকশনের হিসাব আপনি নিজেই
দেখতে পারেন, ফলে কোথায় কত খরচ হলো সেটা বুঝতে সুবিধা হয়, আপনি যদি ভুলেও কিছু
করেন তাহলে সেটাও দ্রুত ধরতে পারবেন, আবার অনেক সময় কাস্টমার সাপোর্ট অপশন থাকে,
আপনি চাইলে সেখান থেকে সাহায্য নিতে পারেন, আমি মনে করি আপনি যদি নিয়ম মেনে
ব্যবহার করেন তাহলে এই অ্যাপ আপনার দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে দেবে, আর ধীরে
ধীরে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এর আসল সুবিধাগুলো কোথায়।
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে লেনদেন কতটা নিরাপদ
আপনি যদি জানতে চান ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে লেনদেন কতটা নিরাপদ, তাহলে আমি সহজভাবে
বলি, নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কীভাবে ব্যবহার করছেন তার ওপর, সাধারণত
এই ধরনের অ্যাপে লেনদেন করার সময় কিছু সিকিউরিটি সিস্টেম থাকে, যেমন OTP
ভেরিফিকেশন বা অ্যাকাউন্ট প্রোটেকশন, তাই আপনি যদি নিজের তথ্য গোপন রাখেন এবং
অচেনা কারও সাথে শেয়ার না করেন তাহলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়, আমি সবসময় বলি আপনি
নিজের ডিভাইসেই লগইন রাখুন এবং অন্যের ফোনে লগইন এড়িয়ে চলুন, আবার লেনদেন করার
সময় যদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু মনে হয় তাহলে সাথে সাথে বন্ধ করে দিন, এতে করে আপনি
সহজেই নিজের টাকা ও তথ্য সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
কোন কোন অপারেটরে রিচার্জ করা যায়
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায় জনার পর আপনাকে জানতে
হবে কোন কোন অপারেটরে রিচার্জ করা যায়। সাধারণত আমাদের দেশে যেসব মোবাইল
অপারেটর আছে, যেমন গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক বা টেলিটক, এই সবগুলোতেই আপনি খুব
সহজে রিচার্জ করতে পারবেন, আপনি যখন অ্যাপটি খুলবেন তখন রিচার্জ অপশনে গেলে নিজেই
অপারেটর সিলেক্ট করার অপশন দেখতে পাবেন, আমি বলব আপনি আগে নম্বরটা ঠিকভাবে লিখুন,
তারপর অ্যাপ নিজেই অনেক সময় বুঝে নেয় কোন অপারেটর, না হলে আপনি ম্যানুয়ালি
সিলেক্ট করতে পারবেন, এরপর এমাউন্ট দিয়ে কনফার্ম করলেই রিচার্জ হয়ে যায়, আপনি যদি
ঠিকভাবে ধাপগুলো অনুসরণ করেন তাহলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই সব অপারেটরে রিচার্জ করতে
পারবেন।
এই অ্যাপ ব্যবহার করে সময় ও খরচ কীভাবে বাঁচানো যায়
আপনি যদি এই অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাহলে আমি বলব সময় বাঁচানোর দিকটা আপনি খুব
দ্রুত বুঝতে পারবেন, কারণ আপনাকে আর বাইরে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে না, আপনি ঘরে
বসেই কয়েকটা ধাপ ফলো করে সব কাজ শেষ করতে পারবেন, আমি নিজে যখন ব্যবহার করি তখন
দেখি খুব অল্প সময়েই রিচার্জ বা পেমেন্ট হয়ে যায়, আপনি যদি প্রতিদিন ছোট ছোট
কাজগুলো অ্যাপ দিয়ে করেন, তাহলে দিনের শেষে অনেক সময় বেঁচে যায়, আর সেই সময় আপনি
অন্য কাজে লাগাতে পারেন, তাই আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন তাহলে এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার
করা আপনার জন্য অনেক সুবিধার হবে, কারণ সবকিছু হাতের মধ্যেই পাওয়া যায়।
আর খরচ বাঁচানোর ব্যাপারটা যদি বলেন, তাহলে আমি বলব অনেক সময় এই অ্যাপে বিভিন্ন
অফার বা ছাড় থাকে, আপনি যদি সেগুলো খেয়াল করে ব্যবহার করেন তাহলে প্রতিবার কিছু
না কিছু টাকা সেভ করতে পারবেন, আমি সাধারণত রিচার্জ করার আগে দেখি কোনো বোনাস বা
ক্যাশব্যাক আছে কিনা, আপনি যদি এই অভ্যাসটা করেন তাহলে ধীরে ধীরে একটা ভালো সেভিং
তৈরি হবে, আবার বাইরে গিয়ে রিচার্জ করলে যাতায়াত খরচও লাগে, সেটা এখানে লাগে না,
তাই আপনি বুঝতেই পারছেন ছোট ছোট জায়গা থেকে খরচ কমে যায়, আর নিয়মিত ব্যবহার করলে
এই সুবিধাটা আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন।
রিচার্জ না হলে বা সমস্যা হলে সমাধান কী
ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায় জানার পর যদি দেখেন
কোনো ভুল হয়েছে তাহলে আগে একটু শান্ত থেকে বিষয়টা চেক করুন, আপনি প্রথমে
ট্রানজেকশন হিস্টোরিতে গিয়ে দেখুন পেমেন্টটা সফল হয়েছে কিনা, যদি পেন্ডিং দেখায়
তাহলে কিছু সময় অপেক্ষা করা ভালো, অনেক সময় নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে দেরি হয়, আর
যদি ফেল্ড দেখায় তাহলে টাকা কাটা না হলে আবার চেষ্টা করতে পারেন, আমি সবসময় বলি
আপনি নম্বর আর এমাউন্ট ঠিক ছিল কিনা সেটাও মিলিয়ে নিন, তারপরও সমস্যা থাকলে
অ্যাপের সাপোর্ট অপশনে গিয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন, সাধারণত তারা দ্রুত রেসপন্স
দেয়, আপনি সঠিক তথ্য দিলে সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।
অন্য অ্যাপের তুলনায় ব্রিলিয়ান্ট কেন সেরা
আপনি যদি ভাবেন অন্য অ্যাপের তুলনায় ব্রিলিয়ান্ট কেন আলাদা, তাহলে আমি বলব
বিষয়টা আসলে ব্যবহার করার সময়ই ভালো বোঝা যায়, আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন
এই অ্যাপটি সাধারণত কাজগুলো অনেক সহজভাবে সাজিয়ে রাখে, তাই আপনি নতুন হলেও বেশি
ঝামেলা মনে হবে না, আমি নিজে যখন প্রথম ব্যবহার করি তখনও দ্রুত বুঝে গিয়েছিলাম
কোথায় কী করতে হবে, আবার অনেক অ্যাপে অপ্রয়োজনীয় অপশন বেশি থাকে, এতে ব্যবহার
করতে গিয়ে কনফিউশন হয়, কিন্তু এখানে আপনি দরকারি জিনিসগুলোই আগে পাবেন, ফলে সময়
নষ্ট কম হয়, আর আপনি যদি নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে ধীরে ধীরে সবকিছু আরও সহজ মনে
হবে, এই সহজ ব্যবহারের জন্যই অনেকেই এটাকে পছন্দ করে।
আরেকটা দিক আমি বলব, আপনি যদি তুলনা করেন তাহলে দেখবেন এই অ্যাপ অনেক ক্ষেত্রে
ব্যবহারকারীর সুবিধার দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়, যেমন কাজগুলো দ্রুত শেষ করা যায় এবং
কম ধাপে সম্পন্ন হয়, আপনি যদি অন্য অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন
অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় স্টেপ থাকে, যেটা এখানে তুলনামূলক কম, আমি মনে করি আপনি যদি
নিজের সুবিধা অনুযায়ী ব্যবহার করেন তাহলে এই পার্থক্যটা পরিষ্কার বুঝতে পারবেন,
আর ধীরে ধীরে আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝবেন কোন অ্যাপ আপনার জন্য বেশি
সুবিধাজনক, তাই আপনি নিজে একটু ব্যবহার করে দেখলেই পার্থক্যটা ভালোভাবে ধরতে
পারবেন।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
অজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপে এনআইডি
ভেরিফাই করে রিচার্জ করার উপায় এবং অনেক কিছু । নিজেদের টাকা সাশ্রয় করতে এই
ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করা ভালো ব্যাপার। আশা করি আজকের এই আর্টিকেল আপনার কাছে
ভালো লেগেছে।
এছাড়া আপনি এই আর্টিকেল পড়ে নতুন কিছু জানতে পেরেছেন আশা করি। এই রকম নতুন নতুন
আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে থাকুন। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ
আর্টিকেল পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন, আপনার সুস্থতা
কামনা করি।








মনে রেখো ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url